১৯৯৫ সাল থেকে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়ে আসছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছরের উৎসবটি চলতি বছরের এপ্রিলে আয়োজন করা হয়। গতবারের আয়োজন উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দনের তিনটি, নজরুল তীর্থের দুটি প্রেক্ষাগৃহ ছাড়া রবীন্দ্র সদন, শিশির মঞ্চ, চলচ্চিত্র শতবর্ষ ভবন ও ওকাকুরা ভবনে সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে।

তানভীর মোকাম্মেল প্রথম আলোকে জানান, উৎসবের পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র শাখায় জুরি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। উৎসবে যোগ দিতে ১৪ ডিসেম্বর তিনি কলকাতায় যাচ্ছেন।
১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ উৎসবে চলচ্চিত্র জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র জমা পড়েছে। জুরি সদস্যরা কিছুদিনের মধ্যেই সেখান থেকে সিনেমা বাছাই শুরু করবেন।

এবারের আয়োজনে আধুনিক চলচ্চিত্রের ভাষা বিনির্মাণে নতুনত্ব ও অভিনবত্বের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে। এবারের আয়োজনে কতগুলো সিনেমা জমা পড়েছে, বিচারকদের মধ্যে আর কে কে থাকছেন, তা এখনো ঘোষণা করেননি আয়োজকেরা।
অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে কলকাতায় আয়োজিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের দুটি কাজ প্রদর্শিত হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনি ছবি ‘রূপসা নদীর বাঁকে’ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মধুমতী পারের মানুষটি: শেখ মুজিবুর রহমান’।