গল্পে দেখা যাবে, কেউ নদীর ভাঙনে ঘরহারা, কেউ সমাজে নানাভাবে বঞ্চিত হয়ে বাঁচার জন্য আশ্রয় নিয়েছেন এই শহরে। তাঁরা বসবাস শুরু করেন বস্তিতে। বস্তির ছিন্নমূল মানুষের জীবনের চাওয়া–পাওয়া, প্রেমের গল্প পর্দায় তুলে এনেছেন নির্মাতা।
এতে জুলি নামের এক চুড়ি বিক্রেতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। সিনেমাটি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ চিত্রনায়িকা জানান, নির্মাতা জীবনের কাছ থেকে দেখা কিছু চরিত্রকে এই সিনেমায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। সিনেমার গানগুলো খুব সুন্দর হয়েছে। গ্রামের হারিয়ে যাওয়া অনেক বিষয় তুলে আনা হয়েছে।

পরিচালক জানালেন, গল্পটি লেখার সময়ই চেয়েছেন, মধ্যবয়সী মানুষের প্রেমের গল্প তুলে ধরবেন। সেই বিষয় মাথায় রেখেই মৌসুমী ও বাবুর চরিত্র দুটি লেখা হয়েছে। পরিচালকের ভাষ্যে, এখনকার সিনেমায় তরুণ–তরুণী ছাড়া পরিণত বয়সের মানুষের প্রেমের গল্প আনা হয় না।
প্রযুক্তিবাংলা কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটি ঢাকার লায়ন সিনেমাস, সৈনিক ক্লাব, আজাদ ও আনন্দসহ দেশজুড়ে ১৯টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে।

কেন দেখবেন?
পরিচালক বলছেন, সিনেমাটি মৌলিক গল্পে নির্মাণ করা হয়েছে। দর্শকেরা এখন মৌলিক গল্পের সিনেমা দেখছেন, বিশেষ করে হাওয়া ও পরাণ মুক্তির পর বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে। ফলে তিনি সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী।