default-image

শুক্রবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক আয়োজনে নৃত্য পরিবেশন করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন শিল্পী ওয়ার্দা রিহাব ও তাঁর দল ধৃতি নর্তনালয়। এ পরিবেশনার পর নতুন নানা রকম কাজের পরিকল্পনা করছেন তিনি। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির অবনতি তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাঁর আশঙ্কা, কাজ বন্ধ করলে বিপদে পড়বেন নৃত্যশিল্পীরা।

বিজ্ঞাপন
default-image

সম্প্রতি ‘নারীর জাগরণ ও ক্ষমতায়নে বঙ্গবন্ধু’ ও ‘সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা’ নামে দুটি নৃত্যালেখ্য করেছেন এই শিল্পী ও নৃত্য পরিচালক। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে এফ মাইনর ব্যান্ডের সঙ্গেও করেছেন একটি কাজ। ‘মুজিব চিরন্তন’-এর শেষ দিনের পরিবেশনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তো সব সময় নাচ করি। এদিন নাচ নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শক্তি, আদর্শ ও নৈতিকতাকে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি। আয়োজকেরা কেবল থিম বলে দিয়েছিলেন, আমি সেটাকে পরিকল্পনা করে তৈরি করেছি কোরিওগ্রাফি। মার্চের ১ তারিখ থেকে এটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কাজটা করে বেশ ভালো লেগেছে। মানুষ প্রশংসা করছে, সেটা আরও ভালো লাগছে।’

করোনার কারণে গত বছরের এই সময়ে বেকার হয়ে পড়েছিলেন অনেক নেপথ্যের নৃত্যশিল্পী। এ বছর একই অবস্থা হতে পারে। এসব নিয়ে শঙ্কিত ওয়ার্দা বলেন, ‘আমরা যারা সম্মুখসারির নৃত্যশিল্পী, তারা কজন মিলে কিন্তু নেপথ্যের এই শিল্পীদের দেখভাল করতে পারব না। এ জন্য আমাদের লকডাউনে যাওয়া ঠিক হবে না, কাজ বন্ধ করা যাবে না। বরং সতর্কতার সঙ্গে, মাস্ক পরে, সবকিছু স্বাভাবিক নিয়মে চালিয়ে নিতে হবে। বেঁচে থাকতে হলে কেবল ঘরে সুরক্ষিত থাকলেই চলবে না, জীবন চালানোর খরচটাও জোগাড় করতে হবে।’

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন