এরপর এ বিষয়ে দক্ষ হওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নৃত্য প্রশিক্ষণ নেন। বর্তমানে রাজশাহী শহরের নৃত্যপ্রতিষ্ঠান ‘স্পন্দন’-এ ২০১২ সাল থেকে নৃত্যে দক্ষ হচ্ছেন। পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত একজন নিয়মিত নৃত্যশিল্পী। এ ছাড়া তিনি বেসরকারি টেলিভিশনের বিভিন্ন নৃত্যানুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিয়ে থাকেন। তিনি রাজশাহী বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্টেজ পারফরম্যান্স করে থাকেন। তিনি রাজশাহী ক্যান্টেনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘ডিসপ্লে’ থেকে শুরু করে বার্ষিক প্রতিযোগিতাসহ বিশেষ অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি করে থাকেন। তিনি রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফিও করে থাকেন।

মো. মেহেদী হাসানও পেশায় নৃত্যশিল্পী। রাজশাহী নগরের গোরহাঙ্গা এলাকায় বাসা। বাবার নাম মো. মাহাবুব উদ্দিন মানিক। মায়ের নাম মোসা. রেহেনা পারভীন। ছোটবেলা থেকেই নাচ তাঁর পছন্দ। এটা এখন তাঁর জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে। শুদ্ধচর্চার নাচ দিয়ে অনেক দূর এগোতে চান। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত একজন নিয়মিত নৃত্যশিল্পী। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও নিয়মিত অংশ নেন। তিনি রাজশাহী বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্টেজ পারফরম্যান্স করে থাকেন। ২০০৭ সালে হঠাৎ রাজশাহী শিল্পকলাতে বেড়াতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, নাচের ক্লাস হচ্ছে। ক্লাস নিচ্ছিলেন প্রয়াত ওস্তাদ বজলুর রহমান। সেদিনের তাঁর ওই ক্লাস দেখেই নাচের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। পরের সপ্তাহ থেকে ক্লাসগুলোয় যাওয়া-আসা শুরু হয়।

২০০৩ সালে রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমিতে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ওস্তাদ বজলুর রহমানের কাছে মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নাচের হাতেখড়ি। ২০০৭ সাল থেকে নৃত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘নৃত্যাঞ্চল’–এর সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বিটিভির একজন তালিকাভুক্ত নৃত্যশিল্পী। সাউথ এশিয়ান গেমস, এশিয়া ওয়ার্ল্ড কাপ, বিপিএল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বেশ কটি আন্তর্জাতিক নৃত্য উৎসবে অংশ নিয়েছেন।
এই তিন শিল্পী ১৩ নভেম্বর বিকেলে ‘পূরভৈরবী আন্তর্জাতিক নৃত্য উৎসবে’ নৃত্য পরিবেশন করবেন।