গল্পটা অনেকের জানা। গারো পাহাড়ের জঙ্গলে বাস করে হুমরা বেদে। সে  কাঞ্চনপুর গ্রামের বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের ছয় মাসের শিশুকন্যাকে চুরি করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। সময়ের বিবর্তনে ছয় মাসের সেই শিশুকন্যা ১৬ বছরের অপরূপ সুন্দরী পরিণত হয়। একদিন মহুয়ার প্রেমে পড়ে নদের চাঁদ। জলের ঘাটে মহুয়াকে সে প্রেম নিবেদন করে। তরুণ শিক্ষার্থীদের সাবলীল অভিনয়ে এগিয়ে চলে মহুয়ার গল্প।

এর আগে খাকসারনামা, তাসের দেশ, স্বদেশী নকশাসহ একাধিক গীতিনাট্যের নির্দেশনা দিয়েছেন রহমত আলী। তিনি বলেন, ‘নির্দেশক হিসেবে গীতিনাট্য আমাকে  আকর্ষণ করে। আখ্যাননির্ভর এই পালাগান বা কেচ্ছার প্রধান অংশই গান। হাজার বছরের অনিন্দ্যসুন্দর পরিবেশনা শৈলীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই মহুয়া বেছে নেওয়া হয়েছে।’

ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের প্রযোজনায়  নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আজরিনা শারমিন, অনন্যা দে, বর্ণালী ঘোষ, ফৌজিয়া আফরিন, জাহেদ আল ফুয়াদ, মারিয়া সুলতানা, ফরহাদ হোসেন, হাবিবুর রহমান, মুনিরা মাহজাবিন, নীহারিকা নীরা, শান্তা আক্তার প্রমুখ। এই উৎসব শেষ হবে আগামীকাল শুক্রবার।