বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সহকর্মীরা সুনাম নাকি বদনাম বেশি করেন?

আমার নামে সুনাম, বদনাম দুটিই আছে। সুনাম, তৌসিফ ভালো ছেলে। যেটা মন খারাপ করে দেয়—তৌসিফের ঘুম বেশি, বিড়ালের মতো ঘুমায়। এটা নিয়ে আমি খুবই বিরক্ত।

আসলেই কি আপনার ঘুম বেশি?

হ্যাঁ, একটু ঘুম বেশি। আমি শুটিংয়ে পাঁচ মিনিট সময় পেলেই ঘুমিয়ে পড়ি। কল্পনাতেও ঘুমাই। আমি দাঁড়িয়েই ঘুমিয়ে পড়ি। যে যা-ই বলুক, এটা আমার ক্রেডিট।

বেশ কিছুদিন ধরে দেখছি, আপনি সকালে ফেসবুকে সেলফি দিচ্ছেন?

আমি ঘুমাই, সে অভিযোগ খণ্ডন করার জন্য সকাল ছয়টায় সেলফি দিই। তোমরা দেখো, আমি সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠি (হাসি)।

শোনা যায়, শুধু পরিচিত নির্মাতাদের শিডিউল দেন।

শিডিউলের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১৫ জন নির্মাতা ফোন করেন। সবার সঙ্গে তো কাজ করা সম্ভব নয়। আর বিভিন্ন কারণে এটা সত্য, পরিচিত নির্মাতাদের শিডিউল দিই। কারণ, এটা আমার ক্যারিয়ার। এটা দিয়ে ভালো কিছু করতে পারলেই আমি পরিবার নিয়ে খেয়েপরে বাঁচতে পারব। সেই জায়গা থেকে যাঁদের ওপর ভরসা করতে পারি, তাঁদের সঙ্গে কাজ করি। এটাও সত্য, পরিচিতদের সঙ্গে আমি বেশি কাজ করি। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচ বছর আগে যে ভুলগুলো দেখে এসেছি, তাঁরা সেই একই ভুল করছেন, যে কারণে কাজটাই নষ্ট হয়। এ ধরনের একই ভুল আমি বারবার দেখতে চাই না। তবে নতুন যাঁরা ভালো কিছু করতে চান, তাঁদের সব সময় স্বাগত।

default-image

কখনো মনে হয়, একই গল্পে অভিনয় করছেন?

এই বছরের শুরুতে এটা মনে হয়েছে। তখন নিজেকেই প্রশ্ন করেছিলাম, কী করলাম? নিজেকে শোধরাতে থাকি। নইলে আমি নাটক থেকে হারিয়ে যাব। টানা ছয় মাস সিনেমা দেখে, বই পড়ে, অভিনয়ের ওপরে অনলাইনে কোর্স করে, ভয়েসটাকে চেঞ্জ করে, হাঁটা, কথা বলা শিখে বেটার অ্যাক্টিংয়ের চেষ্টা করছি। নতুন করে সব শিখতে হয়েছে।

ওটিটিতে কাজ কম কেন? বলেছিলেন সিনেমায় অভিনয় করবেন?

শুরুর দিকে ওটিটিতে কাজ করেছি। কিন্তু পরে ভালো গল্পের অভাবে করা হয়নি। এর মধ্যে নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম। এখন বেশ কটি ওটিটির কাজের ব্যাপারে কথা হচ্ছে। শিগগিরই নতুন খবর দেব। আর একটি সিনেমায় চূড়ান্ত হয়েছিলাম। করোনায় সেটা এখন বন্ধ। আপাতত নাটকের ফ্রেমেই সিনেমার স্বাদ পাচ্ছি। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আরকি। এ জন্য সিনেমার সিদ্ধান্ত এক বছর পিছিয়ে দিয়েছি।

default-image

অনেক সময় তৌসিফ সহ-অভিনেতাদের বসিয়ে রেখে বাসায় চলে যান।

এ অভিযোগ সত্য। এর কারণ, ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। সকালে সেটে এসে নিয়ম মেনে শুটিং শুরু করি। নিয়ম রাত ১০টা হলেও শুটিং হাউস রাত ১১টা পর্যন্ত সময় দিয়েছে। সেটা নির্মাতারা রাত ১২টা বা ১টা পর্যন্ত নিয়ে গেলেও মানা যায়, কিন্তু রাত ৩টায় যখন বুঝতে পারি ভোরেও শেষ হবে না, তখন আর পারি না। পরের দিন শুটিং থাকে। আমি তো মেশিন নই, মানুষ। তখন আমি জানিয়েই চলে আসি। সেই নাটকের পারিশ্রমিকও নিই না।

অভিনয় দেখে আপনার স্ত্রী কী বলেন?

সে আমার সামনেই আছে। ইশারা দিয়ে বলছে, ঠিকমতো সব বলছি কি না। ও আমার কাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকে। ঢাকার বাইরে শুটিং হলে ওকে নিয়ে যাই।

default-image
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন