বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘ডোন্ট রাইট মি’ ব্যতিক্রম?

একেবারেই অন্য রকম। একজন লেখক ও এক তরুণের জীবনের কিছু রহস্যময় গল্প। স্ক্রিপ্ট দেখেই আমার মনে ধরে যায়। আলাদা করে প্রস্তুতিও নিয়েছি। শুটিংয়ে যাওয়ার আগে একাধিকবার বসেছিলাম স্ক্রিপ্ট নিয়ে। সহশিল্পীদের নিয়ে আলোচনা করেছি। পরিচালককে বলেছি, ভাই, এখন তো অভ্যাস নেই। অনভ্যাসে বিদ্যা হ্রাস। কাজেই আমার একটু প্রস্তুতি, অনুশীলনের প্রয়োজন আছে। একটু ঘষামাজা করা প্রয়োজন। তাতে সাড়া পেয়েছি সহশিল্পী, পরিচালকের কাছে। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও ভালো। আশা করছি দর্শকেরও ভালো লাগবে।

default-image

ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

মঙ্গলবার প্রথম আলোতে দেখলাম চরকির বিশাল প্রস্তুতি, অনেক শিল্পীর তালিকা। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। ভালোই হলো, বাংলা একটা রেগুলার প্ল্যাটফর্ম হলো। এটা একটা ভালো খবর। মানুষ এখন টেলিভিশন কম দেখছে। সেই অর্থে সাড়া জাগাতে না পারলে দর্শকের কাছে পৌঁছানো কঠিন। ৩০–৩২টা চ্যানেল! কোন চ্যানেলে কখন কী নাটক হচ্ছে, দর্শকের সে খোঁজ রাখাও মুশকিল। এত চ্যানেল! ওয়েবে সুবিধা হলো নিজের সময়মতো, নিজের পছন্দের নাটক বা সিরিজটা দেখতে পারলাম। আশা করছি চরকি ভালো কিছু করতে পারবে। অবশ্য চরকির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে কনটেন্ট। আবারও বলছি, এখন ভালো কনটেন্ট পাওয়া কঠিন। ভালো কনটেন্ট পেলে ভালো ডিরেকশন হবে, ভালো অভিনয় হবে। এর বড় উদাহরণ হচ্ছে সে সময়ের বিটিভি নাটক। হুমায়ূন আহমেদ বা আতিকুল হক চৌধুরী, মমতাজ (উদদীন আহমদ) স্যার বা আমজাদ (হোসেন) ভাইয়ের কথা বলি—তাঁদের সবার কনটেন্ট বা স্ক্রিপ্ট ছিল ভালো। যে কারণে সে সময়ে খুব ভালো ভালো প্রযোজনা হতো।

ঘরে বসে কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন?

বই পড়ে, টেলিভিশন ও সিনেমা দেখে। কাল অবশ্য বেরিয়েছিলাম। গিয়েছিলাম ছোট ভাইকে দেখতে। ও একটু অসুস্থ ছিল। এখন মোটামুটি ভালো। এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ হয় নিয়মিত। জুম মিটিং করছি। নীলফামারী সদরের আশপাশে করোনার প্রকোপ বাড়ছে। সদর হাসপাতালে কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের সিস্টেম আছে। তবে হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা ছিল মাত্র একটি। আজ একটার ব্যবস্থা করলাম। কাল বৃহস্পতিবার থেকে হয়তো এটি চালু করা যাবে। আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করছি আরও কিছু নাজাল ক্যানুলার ব্যবস্থা হবে। এর মধ্যে সরকারিভাবে করতে পারলে তো ভালোই হয়।

default-image

কী বই পড়ছেন, জানতে পারি?

এখন পড়ছি নলিনী বেরার ‘সুবর্ণরেণু সুবর্ণরেখা’। তার আগে পড়লাম কল্লোল লাহিড়ীর ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’, মতিউর রহমান সম্পাদিত ‘জহির রায়হান: অনুসন্ধান ও ভালোবাসা’। বইগুলো খুব মনে ধরেছে।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন