default-image

আপনার পরিবারের সদস্যরা ছবিটি দেখে কী বলেছেন?

আমি তো এখানে ভাইয়ার সঙ্গে থাকি। মা-বাবা তো থাকেন সৈয়দপুরে, তাঁরা সেখানকার সিনেমা হলে দেখেছেন। আমি যেহেতু বাংলাদেশের মেয়ে, একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ারও সিটিজেন, দুই দেশই আমার, দুই দেশের মানুষের ভালো লেগেছে বলেই ভালো লেগেছে।

default-image

অস্ট্রেলিয়ায় কত বছর ধরে থাকছেন, কী করছেন?

১০ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা হচ্ছে। দেশে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে আমি এখানে আসি। এরপর ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা থেকে ইনফরমেশন টেকনোলজিতে গ্র্যাজুয়েশন করেছি। এখন ভাইয়ার একটি সংস্থায় আইটি স্পেশালিস্ট এবং অফিস সমন্বয়কের কাজ করছি। পাশাপাশি মডেলিংও করছি।

default-image

বিনোদন অঙ্গনে আপনার পরিবারের কেউ যুক্ত ছিলেন?

নাহ্‌, তবে খালামণিরা হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান গাইতেন। আমিও ছোটবেলা থেকে নাচগান করতাম। বিনোদন অঙ্গনে যদিও পরিবারের কেউ ছিলেন না, তারপরও আমাদের পরিবারটা সংস্কৃতিপ্রেমী। বাচ্চাকাল থেকে মা-বাবা নাচ ও গানের একাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দিলেন, সে হিসেবে বলতে পারি, তাঁদের আগ্রহে বা উৎসাহে আমি বড় হয়েছি। আমার মা-বাবা ভীষণ উদারমনা। তাঁরা সাপোর্ট না করলে মোটেও এগোতে পারতাম না।

default-image

নায়িকা হওয়ার আগ্রহ কবে জন্মায়?

চলচ্চিত্র সম্পর্কে যত আইডিয়া টেলিভিশন থেকেই। সিনেমা হোক বা কারও মডেলিং, অনেক ভালো লাগত। মুভি রিলেটেড যেকোনো কিছু আমার ভীষণ পছন্দ ছিল। ছোটবেলায় আম্মুকে বলতাম, বড় হলে নায়িকা হতে চাই। যখন আমি জানতামও না যে নায়িকা বিষয়টা কী। তবে মনের আড়ালে কোনো একটা জায়গায় নায়িকা হওয়ার ইচ্ছাটা ছিল। বিটিভিতে যত সিনেমা দেখানো হতো, সবই দেখতাম। অভিনয়ের প্রতি সেভাবেই হয়তো একটা আগ্রহ তৈরি হয়।

default-image

ইনফরমেশন টেকনোলজি নিয়ে পড়েছেন। এদিকে প্রথম চলচ্চিত্রেও আপনি আলোচিত। সামনের দিকে কী হবে তাহলে?

এখন আমার আগ্রহ বাংলা সিনেমা নিয়েই। আম্মুর সঙ্গে কথা বলছিলাম, আমার যেহেতু যাত্রা শুরু হলো, এরপর যেকোনো কাজের প্রস্তাব এল আর হ্যাঁ বলে দিলাম, বিষয়টি মোটেও তা নয়। এত এত ভালোবাসা। অনেক বেছে বেছে কাজ করতে চাই। আমার কাজ করার ইচ্ছা অবশ্যই। কনটিনিউ করব।

default-image
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন