বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মনঃসংযোগ স্থাপন নাহয় হলো, দর্শকের আগ্রহ বাড়াতে এমন পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয় কি?

অনেস্টলি একটা কথা বলি, আমাদের দুনিয়ায় এখন এত এত কনটেন্ট। এসব লুক নিয়ে প্রথম কয়েক দিন মানুষ আলোচনা করবে। কদিন পর সবাই ভুলে যাবে। দিন শেষে ফিনিশড কনটেন্ট ভালো হওয়াটা জরুরি। যতই পিআর আর পত্রিকায় আর্টিক্যাল ছাপানো হোক—কনটেন্টের জোর না থাকলে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নেবেন। তবে এটা একটা এনগেজমেন্ট। ওয়েব বা চলচ্চিত্রে অভিনয়শিল্পীদের কি দুর্দান্ত লুক, চমৎকার পোস্টার—কিন্তু এপিসোড দেখতে গিয়ে মনে হলো ভুয়া, তাহলে তো লাভ নেই। এখন যে মানুষটা ডিজিটাল মাধ্যমে কনটেন্ট দেখছেন, তাঁর কাছে চরকি, হইচই, জি ফাইভ, নেটফ্লিক্স ও আমাজন প্রাইম তো আছেই। এর বাইরে আছে ইউটিউবের লাখ লাখ কনটেন্ট। এসব খুব বেশি ডিফারেন্স তৈরি করে বলে মনে হয় না। তবে প্রমোশন ডাজ মেক আ ডিফারেন্স, তখন একটা কিউরিসিটি রেজ করে।

এই সময়ে এসে কী মনে হয়, নাটকের কাজের জায়গায় গুণগত পরিবর্তন হচ্ছে কি?

আমার মনে হয় হবে। ওটিটির একরকম দর্শক, টেলিভিশন ও ইউটিউবের আরেক রকম দর্শক। আমার কাছে মনে হয়, নাটকের জায়গা নিয়ে আলাদাভাবে ভাবতে হবে। ওটিটি মানুষ টাকা দিয়ে দেখে, টেলিভিশনে ও ইউটিউবে তো বিনা পয়সায়। যে মানুষটা ৫০০ টাকা খরচ করে একটা জিনিস দেখে, তার কোয়ালিটি এক্সপেক্টেশন খুবই ভিন্ন। ওটিটির কারণে নাটকের গুণগত মান বদলাবে কি না, জানি না। তবে নাটকের মানুষকে ভাবতে হবে, আমরা যদি গুণগত মানে পরিবর্তন না আনতে পারি, দর্শক হারাব। এটাও ঠিক, এখনকার অনেক নাটক কিন্তু খুব সাকসেসফুল।

default-image

‘গুণীন’ চলচ্চিত্রের কাজের প্রস্তুতি কেমন?

আগামী মাসে শুটিং শুরু করব। এই চলচ্চিত্রের জন্য ভিন্নভাবে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন