বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তার মানে কিছু সদস্যপদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যায় হয়েছে?

প্রশ্নই আসে না। আমি যদি অন্যায় করতাম, তাহলে চ্যালেঞ্জ করতাম না। একটা সদস্যের ক্ষেত্রে অন্যায় দেখাক...

default-image

কিন্তু ইরিন জামান তো অভিনয়ে নিয়মিত নন।

নিয়মিত নন, এ রকম হলে তো শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর কারও সিনেমা মুক্তি না পেলে তাঁর পূর্ণ সদস্যপদ থাকে না। ভোটাধিকার থাকারও কথা নয়, এটা ঠিক। তা–ই যদি হয়ে থাকে, বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের যে কমিটি, সেখানে অঞ্জনা ম্যাডামের তো ১২ বছর ধরেই চলচ্চিত্র মুক্তি পায় না, রোজিনা ম্যাডামেরও ১৫ বছর ধরে কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পায় না। আরমান ও নৃত্য পরিচালক জাকিরের সিনেমাও মুক্তি পায় না অনেক বছর। তাঁরা তো নির্বাচনও করছেন। যাঁদের ভোটাধিকারই থাকার কথা নয়, তাঁরা আবার নির্বাচনও করছেন! তাঁদের নিয়েই বর্তমান কমিটি চলছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁরা আজীবন সদস্য হিসেবে থাকবেন। আজীবন সদস্যরা ছবিতে অভিনয় না করলেও ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। অথচ তাঁরা আজীবন সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নির্বাচন করলেন! কিন্তু যখনই প্রত্যাহার করলেন, তখনই তাঁরা সাধারণ সদস্য। তখন কিন্তু তাঁরা ভোটার নন। সেই তাঁরাই আবার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে কমিটিতেও জায়গা নিলেন!

অঞ্জনা, রোজিনাসহ অন্য যাঁদের কথা এখন বলছেন, নির্বাচনের আগে কেন তাঁদের কথা বলেননি?

নির্বাচনের আগে বলিনি। কারণ, সিনিয়র দেখে তাঁদের সম্মান করা হয়েছে। তাঁদের হাসির পাত্র করতে চাইনি। তাঁরা যদি গঠনতন্ত্রই মানেন, রোজিনা ও অঞ্জনা ম্যাডামকে সম্মান দিয়েই বলছি, তাঁদের ছোট করার জন্য নয়; তাহলে তাঁরা কখনোই নির্বাচন করতে পারেন না।

default-image

আপনার ফেসবুক পোস্টে দেখলাম, ‘১৮৪ জন শিল্পীর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ আমাকে কাঁদায়। আবার সবাইকে ডেকে সদস্যপদ দেওয়া হোক।’ এই সময়ে এমন কথা কেন বললেন?

এই সময়ে এ কারণে বললাম, সামনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এর আগে ১৮৪ জনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। তাঁদের ভোটে পাস করে তাঁদেরই বাদ দিল, এটা কেমন কথা। বেশির ভাগ শিল্পীর মনঃকষ্টটা আমি লিখেছি।

আপনি কি সামনের শিল্পী সমিতির নির্বাচন করবেন?

এখনো সে ধরনের কোনো পরিকল্পনা করিনি। দেখা যাক, এখনো তো সময় আছে। সময় হলে জানা যাবে।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন