বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফেসবুকে কি আর ফেরা হবে না?

হুমম ফিরব। যখন ইচ্ছে হবে, তখন ফিরতে পারি, আবার না–ও পারি।

default-image

মনে হচ্ছে আপনি মনের মর্জিতে চলা মানুষ।

বিনোদন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা আছেন, আমার পরিচিত সবাই এমনটা জানেন। তবে মনটা আগের চেয়ে অনেক ধীরস্থির হয়েছে।

আগে আপনাকে নিয়ে একটা অভিযোগও ছিল, শুটিংয়ে ঠিকমতো পাওয়া যায় না...

আগাগোড়াই আমি যে মানুষের খুব বেশি হ্যাম্পার করছি, তা কিন্তু না। সবাই রিউমার ছড়াতে পছন্দ করে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

default-image

বলছিলেন, আগের চেয়ে ধীরস্থির ও ম্যাচিউরড হয়েছেন। এই পরিবর্তন কবে থেকে হয়েছে?

নিজেকে অনেক গ্রুমিং করেছি। ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করেছি। পরিবারের সবাই সাপোর্ট করেছে, তবে দিন শেষে নিজেকেই নিজে সাপোর্ট করতে হয়। এটাই বাস্তবতা। আমি সবখানে বলি, নিজেকে নিজে বদলাতে না চাইলে ২০ জন বা ১০০ জনে চেষ্টা করেও লাভ নেই। সবাই সহযোগিতা করবে কিন্তু গ্রহণ করারও তো মানসিকতা থাকতে হবে। স্বাভাবিক মানুষের যে পরিমাণ রাগ, আমার এখন তা–ও নেই।

অনেকের মতে, মনোযোগী হলে সারিকার অবস্থান আরও শক্ত থাকত।

এগুলো অনেকেই বলেন, আমি তাঁদের সঙ্গে একমত। এটা ঠিক, তখনকার সময়টাকে আরেকটু ইউটিলাইজ করতে পারতাম।

default-image

অতীত নিয়ে কোনো অনুশোচনা?

আমি ওসবে অনুতপ্তও নই। আমি মনে করি, মানুষের জীবনে এমন ওঠানামা হতেই পারে। আমার কাজ কমিয়ে দেওয়া, সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, বিয়ে, বিচ্ছেদ নিয়ে অনেকে অনেক কথাই বলতে পারেন—এই ভ্রমণটা আমার জন্য দরকারও ছিল। মানুষ হিসেবে সম্ভবত আমার এই উন্নতি হতো না, যদি না এই জার্নির মধ্য দিয়ে না আসতাম। জীবনের এই আপস অ্যান্ড ডাউন আমাকে নতুন এক মানুষ তৈরিতে সহযোগিতা করবে। তবে আমি এখন আগের চেয়ে ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন