প্লেব্যাক আর মৌলিক গানের মধ্যে কোনটিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য?
মাশা ইসলাম : আমি সব সময় মৌলিক গানকেই প্রাধান্য দিই। কারণ, এটি একজন শিল্পীর পরিচয়। মৌলিক গান একজন শিল্পীর কাছে তাঁর সন্তানের মতো, যা তাঁকে যুগ যুগ ধরে বাঁচিয়ে রাখে। অন্যদিকে প্লেব্যাক হলো একটি ম্যাজিক্যাল অভিজ্ঞতা; বড় পর্দায় বড় কোনো তারকা যখন আমার কণ্ঠে লিপসিং করেন, তা দেখাটা দারুণ এক প্রাপ্তি।
প্রথম আলো :
আপনাকে বলা হয় ‘সেলফ মেড তারকা’...
মাশা ইসলাম : এই জার্নিটা মোটেও সহজ ছিল না; এর পেছনে ছিল প্রচণ্ড পরিশ্রম, নিবেদন ও ধৈর্য। আর অবশ্যই সততা। ২০১৫ সাল থেকে কাজ শুরু করেছি। অনেক দিন পর্দার আড়ালে বা টিভিতে কাজ করলেও মূলত ইউটিউব ও ফেসবুকের মাধ্যমে অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাই। এরপরই ইন্ডাস্ট্রির মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে। আমি খুব গর্ববোধ করি যে নিজের যোগ্যতায় সবার নজরে পড়তে পেরেছি। কখনো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কাজ করিনি; বরং ভালোবাসার জায়গা থেকে কাজ করে গেছি বলেই হয়তো সবকিছু ন্যাচারালি মিলে গেছে।
পর্দায় আবার কবে দেখতে পাবে দর্শক?
মাশা ইসলাম : সত্যি বলতে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এর পর অভিনয়ের জন্য এখনো ওভাবে কারও সঙ্গে বসা হয়নি। তবে সিনেমার বদলে বর্তমানে দু-একটা টিভিসির প্রস্তাব পেয়েছি। অভিনয়ের এই জগৎ আমার ভীষণ পছন্দ। ইচ্ছা আছে সামনে ভালো কাজ করার। আমি মনে করি, কাজ করতে করতে শিখলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে পারব।
কাজের ক্ষেত্রে এসব স্বীকৃতি কেমন লাগে?
মাশা ইসলাম : ২০২৩ সালে ‘টেকা পাখি’ গানের জন্য অ্যাওয়ার্ডটি পেয়েছি। এটি শুধুমাত্র সংগীতের জন্য পাইনি; বরং বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে মনোনীত চারজন ‘পাওয়ার হাউস’-এর মধ্য থেকে আমাকে বাছাই করা হয়েছে। শিল্পী হিসেবে নিজের কাজের স্বীকৃতি পাওয়া এবং সম্মানিত হওয়া সব সময়ই আনন্দের।
প্রথম আলো :
অবসরে কী করেন?
মাশা ইসলাম : সিনেমা দেখতে ভালোবাসি। আমার প্রিয় শখ হলো সিনেমা হলে গিয়ে বড় পর্দায় মুভি দেখা। যখনই কোনো নতুন সিনেমা আসে, হলে চলে যাই। সম্প্রতি ‘মাইকেল’ দেখেছি। যদিও সিনেমার অল্প সময়ে মাইকেল জ্যাকসনের পুরো জীবন তুলে ধরা সম্ভব নয়, তবু তাঁর ছোটবেলা থেকে সুপারস্টার হয়ে ওঠার জার্নিটা দেখে ভালো লেগেছে।