default-image

বেশ কয়েক বছর পর ছবিতে অভিনয় করলেন। কতটা সন্তুষ্ট?

একটা সিনেমায় যদি পাঁচ–ছয়টা বা ছয়–সাতটা দৃশ্য থাকে, তাহলে যা করেছি, তার বেশি আর কিছু করা যায় না। আমার যেটুকু মনে হয়েছে, তাতে আই অ্যাম ট্রাইং মাই লেভেল বেস্ট। যাঁরাই ছবিটা দেখছেন, সবাই ফোন করে বলছেন, অসাধারণ একটা কাজ করেছি। আমার নিজস্ব মত হচ্ছে, চরিত্রটা আরও বড় করতে পারতেন পরিচালক। তাহলে আমি হয়তো আরও ভালো করতাম।

খল চরিত্রে প্রথমবার অভিনয় করলেন। আপনার অভিনয়শিল্পী স্বামী শহীদুজ্জামান সেলিম দেখে কী বললেন?

ঈদের পরদিনই আমি আর সেলিম মিলে ‘পরাণ’ ছবিটি দেখেছি। সেলিম বলেছে, ‘ইউ ডিড ভেরি ওয়েল রোজী। তুমি অনেক ভালো করেছে।’ আমি শেষ অভিনয় করেছিলাম ‘শঙ্খচিল’–এ, গৌতম ঘোষের পরিচালনায়।

default-image

এত দিন চলচ্চিত্রে কাজ করা হয়ে ওঠেনি কেন?

সত্যি কথা বলতে, চলচ্চিত্রে আমাদের ডাকে না তো। আমি তো কাজ করতে চাই। পরাণ–এর শুটিংয়ের আগে রাফি বলল, ‘রোজী আপা, আপনি আমাদের একটা ক্যারেক্টার করে দেন না। একটা চরিত্রে আপনাকে চাই–ই।’ অ্যাপ্রোচটা আমার ভালো লেগেছে। একটা সময় গল্প শুনলাম। ভালো লাগল। তারপর দুই দিন কাজ করলাম। ময়মনসিংহে শুটিং করি।

এত দিন পর খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এলেন। এ ধরনের চরিত্রে আরও দেখা যাবে কি?

খল চরিত্রে টেলিভিশনে কাজ করেছি। তবে চলচ্চিত্রে এবারই প্রথম। খল চরিত্রে আরও অনেক বেশি কাজ করতে চাই। ৩২ বছর ধরে অভিনয় করছি। আমার মনে হয়, খল ও কমেডি চরিত্রের মতো কঠিন অভিনয় তো আর হয় না। আমার তো যথেষ্ট বয়সও হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ এখন নিতে চাই। কমেডিতে যে সফল হয়েছি, যাঁরা আমার অভিনীত টেলিভিশন নাটক দেখেছেন, তাঁরা ভালো করেই জানেন। আমার নাটক দেখে মানুষ মনে রাখেনি, এ রকম ঘটনা আমার জীবনে কম আছে। চলচ্চিত্রে আরও অভিনয় করতে চাই। এখন তো আমার সময়ও কাজ করার। সন্তানেরা বড় হয়ে গেছে। এত দিন তো সংসার করা, পারিবারিক জীবন চালানো, বাচ্চাদের লেখাপড়া দেখা—এরপর যেটুকু সময় পেয়েছি, অভিনয়ে দিয়েছি। এখন তো অনেক সময়। তাই এখন নতুন নতুন চরিত্রে নিজেকে আবিষ্কার করতে চাই।

default-image

‘পরাণ’ দেখলেন, ‘সাইকো’ ছবিটি দেখেননি কেন?

‘সাইকো’ ছবির পরিচালক অনন্য মামুন নায়ক–নায়িকা নিয়ে ঢাকার বাইরের হলগুলো পরিদর্শনে করছেন। ঢাকায় ফিরলেই সবাই মিলে একসঙ্গে ছবিটি দেখার পরিকল্পনা করেছি।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন