default-image

এই সিরিজের একদম শেষ দিকে আফরান নিশোর মুখোমুখি হয়েছেন আপনি। ওই দৃশ্য দেখে কেউ এমনটাও বলেছেন, পাল্লা দিয়ে অভিনয়ের চেষ্টা করেছেন। আপনাদের কি আগে কোনো কাজ হয়েছে?

আফরান নিশো ভাইয়ের সঙ্গে আগে একটা কাজ হয়েছে। এখনো প্রচার হয়নি। আমাদের দ্বিতীয় কাজ কাইজার। শুটিংয়ের আগে থেকেই তিনি আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। একসঙ্গে মহড়া করেছি। করতে করতে দুজনের একটা সিনক্রোনাইজও হয়ে গেছে। আমি কীভাবে সংলাপ দিচ্ছি, তিনি কীভাবে দেবেন, আগে থেকেই জানতাম। দুজনে আলাপ করে করেই ঠিক করেছি। মহড়া করার কারণে আগে থেকে আলাপ ছিল, তাই নিশো ভাইয়ের কাছ থেকে অনেক সুবিধা পেয়েছি, আন্তরিক সহযোগিতা যাকে বলে। একজন অগ্রজ অভিনেতার কাছ থেকে এ ধরনের সহযোগিতা অনেক বড় ব্যাপার। এ ধরনের সহযোগিতা ভীষণ রকম বুস্টআপ করে। একজন সিনিয়র অভিনয়শিল্পী যখন তাঁর মতো করে আমাকেও ট্রিট করেন, তখন নিজের মধ্যেও একটা চ্যালেঞ্জ ফিল করি। আমারও মনে হয়, ভালো করতে হবে। ওই জায়গা থেকে আনন্দ নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।

default-image

আপনার অভিনয় দেখে আফরান নিশো কিছু কি বলেছেন?

ট্রেলার প্রকাশের দিন তিনি আমার খুব প্রশংসা করেছেন। কাজের ও ডেডিকেশনের মাধ্যমে যিনি এত দূর এসেছেন, সেই তিনি যে আমার প্রশংসা করেছেন, এটা আমার জন্য বড় পাওনা।

এবারের ঈদে আর কী কাজ গেছে?

এনটিভিতে প্রচারিত হয়েছে শিহাব শাহীনের ‘ভয়েস ক্লিপ’, গাজী টিভিতে সাদেক সাব্বিরের ‘সত্যি বলছি’ আর বায়োস্কোপ এ নূরুল আলম আতিকের অ্যান্থলজি সিরিজ আষাঢ়ে গল্প-এর ‘কাঠুরে’।

একটা সময় চট্টগ্রামে থাকতেন। চাকরি করতেন। ফাঁকে ছিল অভিনয়। ঢাকায় এসে কাজ করে আবার চলে যেতেন। এখন তো ব্যস্ততা বাড়ছে। ঢাকায় কি থিতু হয়েছেন?

(হাসি)। যখন আমার অভিনীত সিনেমা ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ রিলিজ হয়, তখনই চাকরিটা ছেড়ে দেই। অপেক্ষা করছিলাম একটা ছবি মুক্তির। কারণ, আমার তো ‘আলগা নোঙর’, ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’, ‘চন্দ্রাবতী কথা’—এই নামের তিনটা ছবি তৈরিই ছিল। শুধু ছিল মুক্তির অপেক্ষা। ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ আমাকে নিরাশ করেনি, খালি হাতে ফেরায়নি। এ ছবির কল্যাণে এখন পর্যন্ত আমি যা পেয়ে আসছি, তা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।

default-image

‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ ও ‘চন্দ্রাবতী কথা’—দুটো দুই ধরনের। এই দুটি ছবি কি বিনোদন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত হতে ভূমিকা রেখেছে?

আমার অল্প সময়ের অভিনয়জীবনে দুটি ভিন্নধর্মী কাজ ভিন্নধর্মী চরিত্রে। ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ এই সময়ের আর ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ৪০০ বছর আগের প্রেক্ষাপটে। আমার যেটা মনে হয়েছে, পরিচালকদের হয়তো বিশ্বাস জন্মেছে, না, বর্ষণকে দিয়ে হয়তো আলাদা আলাদা চরিত্র করানো সম্ভব। আমি আসলে এক্সপেরিমেন্টাল জায়গায় কাজ করতে পছন্দ করি। তার মানে এই নয় যে সব কাজ করব না। সব ধরনের কাজও করতে চাই। নিরীক্ষাধর্মী কাজের কারণে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। যেটা আমি ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’, ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ও ‘কাইজার’ করতে গিয়ে পেয়েছি।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন