default-image

মা–বাবা কি তাঁদের ছেলের বউ নিয়ে ঈদ করতে চান?

(হাসি)। চান না মানে...বলে তো। আমাদের তো বাগদান হয়ে আছে। আসলে তাড়াতাড়ি বিয়ের প্রোগ্রাম করে ফেলতে বলেন। পারিবারিকভাবে দুজনকে একসঙ্গে আলাপ করতেও বলেন। কিন্তু আমার হবু স্ত্রীর পড়াশোনাও তো শেষের পথে। আমার কাছে সময়ও চেয়েছে। পড়াশোনা শেষ হলেই দুই পরিবার বসে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করবে। দুই পরিবার জানে আমাদের সম্পর্কের কথা। এখন বিয়েটা শুধু বাকি।

হবু শ্বশুরবাড়ির পক্ষ নায়ক ছেলে কেমন পছন্দ?

আমার বাগদত্তার পরিবার শুরুতে বিনোদন অঙ্গনের লোকজন নাকি খুব একটা পছন্দ করত না। সামনাসামনি আমাকে দেখার পর নাকি তাঁদের অনেক ভালো লেগেছে। (হাসি) এ জন্যই তাঁরা বিয়ে দিতে রাজি হয়েছে। বাকিটা জানি না। তবে ওর ( হবু স্ত্রীর) আব্বু–আম্মু মানুষ হিসেবে অসাধারণ। ওর মায়ের সঙ্গে ফোনে মাঝেমধ্যে কথাবার্তা হয়, ভীষণ আদর করেন আমাকে।

default-image

তাহলে বিয়ের সানাই বাজবে কবে?

আগামী বছর পরিকল্পনা আছে বিয়ে করার। দেখা যাক।

দেশের তারকাদের অনেকের মতে, বিয়ে করলে জনপ্রিয়তা কমে যায়। আপনি কী মনে করেন?

আই ডোন্ট বদার অ্যাবাউট দিস। ভক্তদের যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁরা তো আসলে মন থেকেই ভালোবাসেন। কাজ দেখে ভালোবাসেন। তারকার কাজ ও ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হন ভক্তরা। শাহরুখ খানকে যাঁরা পছন্দ করেন বা ভালোবাসেন, তাঁরা কি শাহরুখ খানের ওয়াইফ আছে বলে কম পছন্দ করবেন! এটা তো হতেই পারে না। বিশ্বে তাঁর জনপ্রিয়তা কিন্তু দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমি মনে করি, যাঁরা বিয়ে করেন, তাঁরা দুজন মিলে আরও শক্তিশালী হন। এমনকি স্ত্রীদের প্রতি যেসব তারকার রেসপেক্ট থাকে, স্বামীদের প্রতি যেসব তারকার রেসপেক্ট থাকে, তাঁদের ভক্তরা আরও বেশি খুশি হন। অনেক কিছু শেখেনও। এতে দুজন মিলে তাঁরা অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠেন।

এবার ঈদ প্রসঙ্গ। ‘সাইকো’, ‘শুক্লপক্ষ’ ও ‘কার্নিশ’ নামের তিনটি চলচ্চিত্র এবারের ঈদে রয়েছে। ঈদটা নিশ্চয়ই আপনার জন্য একেবারে অন্য রকম?

নিঃসন্দেহে এটা আমার জন্য ভীষণ রকম আনন্দের। কাজগুলো দেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সাইকো প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখলাম। আমরা দেরিতে সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ায় ছবিটার প্রচারণাও ঠিকমতো চালাতে পারিনি। তাড়াহুড়া করে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে ছবিটি মুক্তিতে আরেকটু সময় নিতে পারতাম। যদিও প্রচারণা ও মুক্তির ব্যাপারটা প্রযোজক–পরিচালক মিলেই সিদ্ধান্ত নেন। যেভাবে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই। তার কারণ হচ্ছে, আমি যতটা আশা করেছিলাম, সে পরিমাণ প্রচারণা চালিয়ে ছবিটি দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। ছবিটি পুরোপুরি রেডি না থাকায় সিনেপ্লেক্স দর্শকদের কাছেও পৌঁছাতে পারিনি। আমরা সামনের দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করছি, সামনে আরও নতুন কিছু প্রেক্ষাগৃহ পাব, যা প্রথম দিকে পাইনি। ‘শুক্লপক্ষ’ কাজটা যথেষ্ট ভালো হয়েছে। ‘কার্নিশ’ও দারুণ কাজ। ‘শুক্লপক্ষ’ ও ‘কার্নিশ’–এর মধ্য দিয়ে ভিকি জাহেদের সঙ্গে ব্যাক টু ব্যাক দুটি কাজ হলো।

default-image

এখন তো দেখছি আপনি ভালোই ব্যস্ত। বেশ কটি ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন?

বেশ কিছু ভালো মানের ছবি মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘মায়া; দ্য লাভ’, ‘রিভেঞ্জ’ ও ‘বিট্রে’। এর বাইরে জামদানি ছবিটা নিয়ে আমি সবচেয়ে বেশি আশাবাদী। এটা শুধু জাতীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও অনেক সম্মান বয়ে আনবে বলে মনে করছি। ওই ছবিটার অর্ধেক কাজ শেষ করেছি। আগামী মাসের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে। ঈদের আগে লন্ডন লাভ নামেও একটি ছবির কাজ শুরু করেছি, কিছুদিনের মধ্যে ছবিটির বাকি কাজ শেষ করব।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন