আপনার ফেসবুক ওয়ালে কোরিয়ার ড্যান্স প্যারেড নিয়ে নানা রকমের অনুভূতি শেয়ার করেছেন। নৃত্যের সঙ্গে জড়িত কাউকে সেভাবে প্রতিক্রিয়া দিতে দেখলাম না।

প্রত্যেক মানুষ তাঁর নিজের মতো করে ভাবেন। আমরা তো কারও ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। আমার মনে হয়, সবাই হয়তো ফেসবুকে অতটা এক্সপার্ট নন, তাই লেখেননি।

default-image

তাহলে কি ফোনে কিছু বলেছেন?

আসলে আমরা তো ছোট। আমরা যখন একটা কাজ করি, সবাই যখন সেটা অ্যাপ্রিশিয়েট করছেন, আমরাও প্রত্যাশা করি যে আমাদের যাঁরা অভিভাবক, আমাদের অঙ্গনে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করবেন। এটার জন্য আমরা মুখিয়ে থাকি। এখন কেউ না করলে কী করব। আমার কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। লায়লা হাসান, আমানুল হক, তাঁরা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন। এখন আমার কাজে কেউ অ্যাপ্রিশিয়েট না করলে ধরে নেব, আমাকে আরও বড় কিছু করতে হবে। যাতে পরবর্তী কাজে আমি অ্যাপ্রিসিয়েশন পাই।

আপনি নিজে নৃত্যে আপনার অগ্রজ ও অনুজদের যেকোনো সাফল্যে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা কতটা দিয়ে থাকেন?

আমি তো সব সময় চেষ্টা করি, ফেসবুকে গেলেও দেখা যাবে। বিশেষ করে নতুনদের কাজ আমার খুব ভালো লাগে। যখনই নতুনদের কোনো কাজের খবর পাই, মন্তব্য করে উৎসাহ ও অভিনন্দন জানাই। অনেক সময় ফোন করেও বলি, এই কাজ আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। আমার ইচ্ছাও আছে, তরুণ নৃত্যশিল্পী বা আমাদের সমসাময়িক বা আমাদের চেয়ে ছোট—তাদের সবাইকে নিয়ে যদি বড় আকারের একটা প্রোডাকশন করা যায়, সেটাও প্ল্যান করছি।

default-image

অভিজ্ঞ সিনিয়রদের কি রাখা যায় না? তাঁদের রাখলে আরও ভালো হতো না?

হ্যাঁ, অবশ্যই ভালো হতো। আমি সব সময় বলি, আমাদের তুরঙ্গমী সব সময় সবার জন্য উন্মুক্ত। আমি চাই, সবাই আমাদের সঙ্গে কাজ করুক।

default-image

সামনে আপনাদের নাচের দলের আর কী খবর আছে?

এই মুহূর্তে আমাদের আরও কিছু ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যালের ইনভাইটেশন আছে। করোনা কাটিয়ে, এ বছর তো ফেস্টিভ্যাল শুরু হলো, দুটিতে অংশ নিলাম। সামনে ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ইনভাইটেশন আছে, এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি যাওয়ার। তবে কোভিডের কারণে আমাদের যে প্রোডাকশনগুলোর মঞ্চায়ন করতে পারিনি, সেগুলো নিয়ে ভাবছি। এখন ওয়াটারনেস–এর রিহার্সেল চলছে। শিগগিরই এটি মঞ্চে আনব। এ বছর আমরা একটা নতুন প্রোডাকশনও মঞ্চে আনার পরিকল্পনা করেছি।

default-image
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন