default-image

২০১৯ সালের ভালোবাসা দিবসের পরদিনের ঘটনা। তীব্র গতিতে একটা গাড়ি ছুটছিল লস অ্যাঞ্জেলেসের দিকে। চালকের আসনে ‘ট্রান্সফরমার’ অভিনেতা শায়া লাবাফ, পাশে সাবেক প্রেমিকা কণ্ঠশিল্পী এফকেএ টুইগস। সেদিনই সিদ্ধান্ত হয়ে যায়, লাবাফের সঙ্গে ভুলেও আর দেখা করা যাবে না। অনেক ক্ষতি করেছেন তিনি। মনটা নষ্ট করে দিয়েছেন, শরীরে ছড়িয়ে দিয়েছেন রোগ!

বিজ্ঞাপন
default-image

সেদিনের ঘটনার জের ধরে গত ডিসেম্বরে লাবাফের নামে একটি মামলা করেন টুইগস। উন্মাদের মতো গাড়ি চালাতে চালাতে সেদিন তিনি বলছিলেন, ‘বলো ভালোবাসি, নইলে কিন্তু গাড়ি আছড়ে ফেলব খাদে! বলো, বলো বলছি।’ অভিযোগপত্রে টুইগস জানিয়েছেন, লাবাফ মানসিক রোগী। শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁর ওপর ভীষণ অত্যাচার করেছেন তিনি। এমনকি তাঁর শরীরে যৌনরোগ ছড়িয়েছেন লাবাফ। এই অভিযোগের জের ধরে সম্প্রতি লাবাফকে বাদ দিয়েছে তাঁর ট্যালেন্ট এজেন্সি, ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট এজেন্সি (সিএএ)।

default-image

এ মামলা নিয়ে খবর প্রকাশের কাছাকাছি সময়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন লাবাফ। হলিউড রিপোর্টার জানিয়েছে, সিএএ তাঁকে বাদ দিয়েছে। আবার অন্য একটি সূত্র বলছে, লাবাফ নিজেই সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছেন। নানা অভিযোগ, মামলা নিয়ে কথা না বললেও ডিসেম্বরের ঘটনার পর নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে লাবাফ জানিয়েছেন, যেসব কথা ছড়িয়েছে, সবটা সত্য নয়। তিনি বলেন, ‘আমার আচরণে তাঁরা কেন খারাপ বোধ করলেন, সেটা বলার মতো অবস্থায় আমি নেই। মদ্যপান ও খারাপ আচরণের ব্যাপারে আমি কোনো অজুহাত দেখাব না, কিছু যুক্তিযুক্ত কারণ দেখাব শুধু। দীর্ঘদিন ধরে আমি নিজেই নিজের ক্ষতি করে আসছি, আমার আশপাশের মানুষদেরও। কাছের মানুষদের সঙ্গে খারাপ আচরণ আমি আগেও করেছি। এ জন্য আমি লজ্জিত আর যাঁদের আঘাত করেছি, তাঁদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ছাড়া আমার আর কিছুই বলার নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি অতিরিক্ত মদ্যপান ও আতঙ্ক থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারিনি, কিন্তু চেষ্টা করছি। যাঁদের ক্ষতি করে ফেলেছি, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

বিজ্ঞাপন
default-image

মানসিক বিকারগ্রস্ত লাবাফ অনেক দিন ধরেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। ‘ডিস্টার্বিয়া’, ‘ইন্ডিয়ানা জোনস অ্যান্ড দ্য কিংডম অব দ্য ক্রিস্টাল স্কাল’, ‘ফিউরি’, ‘হানি বয়’-এর মতো বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন মার্কিন অভিনেতা, পারফরমার ও চলচ্চিত্রকার শায়া লাবাফ। গলফ নিউজ

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন