বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্য পুরস্কারগুলোর মধ্যে যৌথভাবে গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতেছে আজগর ফরহাদির ‘আ হিরো’ ও জুহো কোশমানেন পরিচালিত ‘কমপার্টমেন্ট নং সিক্স।’ যৌথভাবে জুরি প্রাইজ জিতেছে অ্যাপিচাটপুং উইহাসিতাকুলোর ‘মেমোরিয়া’ ও নাদাব লাপিডের ‘আহেদস নি’ এবং ক্যামেরা দর জিতেছে অ্যান্তোনিতা আলামাত খুশিয়ানোভিশের ‘মুরিনা।’

সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘নিত্রাম’ ছবির জন্য মার্কিন অভিনেতা কেইলেভ লান্ড্রি জোনস, সেরা অভিনেত্রী ‘দ্য ওর্স্ট পারসন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ ছবির জন্য রিনাতে রাইনসভে। সেরা পরিচালক ‘অ্যানেত’-এর জন্য লিওস ক্যারেক্স।

সেরা চিত্রনাট্য ‘ড্রাইভ মাই কার’-এর জন্য হামাগুচি রিয়াসুকে এবং তাকামাসা য়ে। সম্মানসূচক স্বর্ণপাম পেয়েছেন মার্কো বিলোকিও।

মহামারির কারণে গত বছর অনুষ্ঠিত হয়নি কান চলচ্চিত্র উৎসব। এ বছরও নির্ধারিত সময়ের দুই মাস পর গত ৬ জুলাই শুরু হয় এ উৎসব।

এ বছর মূল প্রতিযোগিতা বিভাগের বিচারকদের সভাপতি ছিলেন মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ পরিচালক স্পাইক লি। বিচারক প্যানেলে বাকি আট বিচারকের পাঁচজনই ছিলেন নারী।

কানের ইতিহাসে নারী নির্মাতাদের মধ্যে জেন ক্যাম্পিয়ন স্বর্ণপাম জিতেছেন ১৯৯৩ সালে। দ্বিতীয়বারের মতো কোনো নারী আবারও এ পুরস্কার পেলেন।

২০১৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বঙ জুন-হো পরিচালিত ‘প্যারাসাইট’ স্বর্ণপাম জয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ে। এমনকি ছবিটি অস্কারও জিতে নেয়।

গত ৬ জুলাই শুরু হওয়া এই উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ২৪টি চলচ্চিত্রের মধ্যে বেশির ভাগ ছবিই দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এ তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস অ্যান্ডারসনের ‘দ্য ফ্রেঞ্চ ডিসপাচ’, শন বেকার পরিচালিত ‘রেড রকেট’ ও শন পেনের ‘ফ্ল্যাগ ডে’, চাদের মোহাম্মদ সালাহ হারুনের ‘লিঙ্গুই, দ্য স্যাক্রেড বন্ডস’, রাশিয়ার কিরিল সেরেব্রেনিকোভের ‘পেত্রোভ’স ফ্লু”, ইতালির ন্যানি মোরেত্তির ‘থ্রি ফ্লোরস’ এবং নেদারল্যান্ডসের পল ভারহোভেনের ‘বেনেদেত্তা’।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন