বিজ্ঞাপন
২০০৫ সালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা নিয়ে লেডি গাগা প্রথম মুখ খোলেন ২০১৪ সালে। ‘টিল ইট হ্যাপেনস টু ইউ’ গানে তিনি এ ঘটনার বর্ণনা দেন। ‘দ্য হান্টিং গ্রাউন্ড’ নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়, সেখানে এই গানটি ব্যবহার করা হয়।
default-image

গাগা বলেন, ‘তিনি একজন সংগীত প্রযোজক। তিনি আমার সব অ্যালবাম পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দেন। তিনি আমাকে ধর্ষণ করে ঘরের এক কোনায় ফেলে চলে যান। কারণ, আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। আমার বমি চলে আসে। এ ঘটনায় আমি “ট্রমাটাইজড” হয়ে পড়ি। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। বেশ কয়েক বছর ধরে আমার চিকিৎসা চলে।’

আমি “মিটু মুভমেন্ট” নিয়ে খুব একটা স্বস্তিবোধ করি না। আামি ওই ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করতে চাই না। বাকি জীবনে তাঁর চেহারাও দেখতে চাই না। দীর্ঘ সময় আমি নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি।
লেডি গাগা
default-image

২০০৫ সালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা নিয়ে লেডি গাগা প্রথম মুখ খোলেন ২০১৪ সালে। ‘টিল ইট হ্যাপেনস টু ইউ’ গানে তিনি এ ঘটনার বর্ণনা দেন। ‘দ্য হান্টিং গ্রাউন্ড’ নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়, সেখানে এই গানটি ব্যবহার করা হয়। এই প্রামাণ্যচিত্রটিতে যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা কলেজজীবনে তাঁদের সঙ্গে ঘটা যৌন নিপীড়ন নিয়ে কথা বলেন। এই প্রামাণ্যচিত্রটি ২০১৬ সালে অস্কারে মনোনীত হয়।

আমার এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সময় লেগেছে। কিন্তু আমি ফিরে এসেছি। নতুন শক্তিতে উঠে দাঁড়িয়েছি। আমি এই ঘটনা আর কখনোই মনে করতে চাই না।
default-image

অস্কারজয়ী এই সংগীত তারকা আরও বলেন, ‘আমি “মিটু মুভমেন্ট” নিয়ে খুব একটা স্বস্তিবোধ করি না। আামি ওই ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করতে চাই না। বাকি জীবনে তাঁর চেহারাও দেখতে চাই না। দীর্ঘ সময় আমি নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি। আমার এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সময় লেগেছে। কিন্তু আমি ফিরে এসেছি। নতুন শক্তিতে উঠে দাঁড়িয়েছি। আমি এই ঘটনা আর কখনোই মনে করতে চাই না। আমি চাই না এ নিয়ে আমাকে কখনো প্রশ্ন করা হোক। আমি কেবল সবাইকে এই বার্তা দিতে চাই, এমন জঘন্য ঘটনা ঘটার পরেও জীবন শেষ হয়ে যায় না। জীবনের কাছ থেকে আপনার তখনো অনেক উপহার পাওয়া বাকি।’ গাগা জানান, ধর্ষণের শিকার নারীর কষ্ট তিনি জানেন।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন