default-image

তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কানের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গভীর দুঃখ নিয়ে জিমির চলে যাওয়ার খবর জানাচ্ছি। ৬ জুলাই সন্ধ্যা শেষে চলে গেছেন। তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ দেখানোর জন্য পরিবারের পক্ষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয় রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।’ অভিনেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভক্ত থেকে সহকর্মীরা। ‘দ্য গডফাদার’ সহকর্মী আল পাচিনো বলেন, ‘জিমি আমার পর্দার ভাই আর সারা জীনের বন্ধু। সে একজন দুর্দান্ত অভিনেতা, দারুণ পরিচালক, কাছের বন্ধু। তাকে মিস করব।’ ‘দ্য গডফাদার’–এ সনি করলেওনের ভাই মাইকেল করলেওনের চরিত্রে অভিনয় করেন পাচিনো। রবার্ট ডি নিরো লিখেছেন, ‘জিমির চলে যাওয়ার খবর শুনে খুব খুব দুঃখ পেলাম।’

default-image

‘দ্য গডফাদার’ ও ‘ব্রেইনস সং’ মুক্তির পর সত্তর দশকে হলিউডের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা ছিলেন কান। শুরু করেন পরিচালনাও। ‘হাইড ইন প্লেইন সাইট’–এ অভিনয় ও পরিচালনা দুটোই করেন। এ ছাড়া করেন ‘ফানি লেডি’, ‘দ্য কিলার এলিট’, ‘চ্যাপ্টার টু’র মতো ছবি। ‘দ্য গডফাদার’–এর দ্বিতীয় কিস্তিতে ছিল অল্প সময়ের উপস্থিতি। কিন্তু আশির দশকে মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেন অভিনেতা। মাদকাসক্তি ও বোনের মৃত্যু প্রভাব পড়ে ক্যারিয়ারেও। আবারও ত্রাতা হয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন কাপোলা। ১৯৮৭ সালে তাঁর ‘গার্ডেনস অব স্টোন’ যেন কানের ক্যারিয়ারকে নতুন জীবন দেয়।

default-image

এরপর ‘ফর দ্য বয়েজ’, ‘হানিমুন ইন ভেগাস’, ‘ফ্লেশ অ্যান্ড বোন’, ‘বটল রকেট’, ‘মিকি ব্লু আইজ’সহ উল্লেখযোগ্য অনেক ছবিতেই দেখা যায় তাঁকে। ২০০৩ সালের হিট টিভি সিরিজ ‘লাস ভেগাস’–এ–ও দেখা যায় তাঁকে। ১৯৩৯ সালের ২৬ মার্চ নিউইয়র্কে জন্ম জেমস কানের। অভিনয় ক্যারিয়ারের মতো তাঁর ব্যক্তিজীবনও ছিল উত্থান–পতন। চার–চারবার বিয়ে ও বিচ্ছেদ হয় তাঁর। এক মেয়ে তারা ছাড়াও আছেন চার ছেলে—স্কট, অ্যালেক্সজান্ডার, জেমস ও জ্যাকব।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন