১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ডক্টর হু’ অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাতে তাঁর অভিনয় মনে রাখার মতো। ৪১ বছর পর ২০০৭ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ‘ডক্টর হু’ সিরিজেও অভিনয় করেন তিনি। ২০১৮ সালে বয়স যখন ৯০ ছুঁই ছুঁই, বারনেড তখন নিজের আত্মজীবনী প্রকাশ করেন। যার শিরোনামে যেন নিজের জীবনেই এক কথায় প্রকাশ করেন অভিনেতা—‘বারনেড হু?: সেভেনটি ফাইভ ইয়ারস অব ডুয়িং জাস্ট অ্যাবাউট এভরিথিং’।

১৯২৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ওল্ডহামে জন্ম হয় বারনেডের। অনেক বছর মঞ্চে অভিনয়ের পর ১৯৫৭ সালে বড় পর্দায় অভিষেক হয় ‘ডেভি’ দিয়ে। ষাটের দশকে কমেডি সিনেমা ‘টু-ওয়ের স্ট্রেচ’ ও ‘ক্যারি অন’ সিরিজ দিয়ে প্রশংসা পান। ১৯৭২ সালে আলফ্রেড হিচককের ‘ফ্রেনজি’তেও দেখা যায় তাঁকে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তিনি অভিনয় করেন ‘প্যাট্রিক’ ছবিতে। গান, মঞ্চ, টিভি, চলচ্চিত্র মিলিয়ে সাত দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ার। তবে মানুষ তাঁকে বেশি মনে রেখেছে ৪১ বছেরর ব্যবধানে ‘ডক্টর হু’তে দুই কাজের জন্য।

নাটকের দলের কাজ করার সময় উঠতি অভিনেত্রী গিলিয়ান ম্যাকবারনেটের প্রেমে পড়েন। ১৯৫৫ সালে দুজন বিয়ে করেন। এরপর দীর্ঘ ৬৬ বছর চলে তাঁদের দাম্পত্য জীবন। তাঁর স্ত্রী গিলিয়ান প্রয়াত হন গত বছরের অক্টোবরে।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন