এ সপ্তাহের বক্স অফিসে রেকর্ডের তালিকায় ‘হপার্স’, ব্যর্থ ‘দ্য ব্রাইড’

‘হপার্স’ ও ‘দ্য ব্রাইড’ সিনেমার দৃশ্য। কোলাজ

মুক্তির আগেই আলোচনা তৈরি করেছিল ‘দ্য ব্রাইড’। শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি দর্শকদের মাঝে সাড়া জাগাতে পারেনি। ৯০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের হলিউড সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিস থেকে আয় করেছে মাত্র ১৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রসের সিনেমা হিসেবে এই আয় খুবই হতাশাজনক। এটি গ্লোবাল বক্স অফিসে ৩ নম্বরে রয়েছে।

জনপ্রিয় তারকা ক্রিশ্চিয়ান বেল ও জেসি বাকলি অভিনীত সিনেমাটি উত্তর আমেরিকা থেকে আয় করেছে ৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বের ৬৯টি দেশ থেকে আয় করেছে ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার। মুক্তির আগে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধারণা করেছিল, বিদেশি বাজার থেকে সিনেমাটি কম হলেও ২২ মিলিয়ন ডলার এবং উত্তর আমেরিকায় ১৬ থেকে ১৮ মিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে। কিন্তু সেই অনুমানের ধারের কাছেও যেতে পারেনি ‘দ্য ব্রাইড’।

‘দ্য ব্রাইড’–এ ক্রিশ্চিয়ান বেল ও জেসি বাকলি। ছবি: আইএমডিবি

সিনেমাটির গল্প দর্শকদের টানেনি। ১৯৩০-এর দশকের শিকাগো শহরের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমার গল্পে দেখা যায়, ফ্রাঙ্কেনস্টাইন ও ডন ইউফ্রোনিয়াস খুন হওয়া এক নারীর দেহে প্রাণ সঞ্চার করে। এরপর শুরু হয় অপ্রত্যাশিত প্রেম, পুলিশের তদন্ত। সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং প্রতিদিনই কমছে। ৭ থেকে এখন রেটিং কমে দাঁড়িয়েছে ৬.১।
গত সপ্তাহে বক্স অফিসে চমক দেখিয়েছে ডিজনি পিক্সারের অ্যানিমেল অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা ‘হপার্স’। এক দশকের মধ্যে পিক্সারের বড় সাফল্যের একটি ‘হপার্স’। বিশ্বব্যাপী এটি এক নম্বরে অবস্থান করছে। সিনেমাটির আয় ৮৮ মিলিয়ন ডলার। যদিও সিনেমাটি ‘দ্য ব্রাইড’–এর চেয়ে কমসংখ্যক দেশে মুক্তি পেয়েছে।

‘হপার্স’–এর দৃশ্য। ছবি: আইএমডিবি

১৯ বছর বয়সী প্রাণিপ্রেমী এক তরুণী গল্প নিয়ে ‘হপার্স’। তিনি প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রাণিজগতের এমন সব রহস্য আবিষ্কার করতে শুরু করেন, যা তাঁর কল্পনারও বাইরে ছিল। গল্পটি দর্শক পছন্দ করেছেন। অ্যানিমেশন সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৭.৭। এটি পরিচালনা করেছেন ডেনিয়েল চং।

আরও পড়ুন

বক্স অফিস আয়ে ২ নম্বরে রয়েছে স্ক্রিম ৭। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহে সিনেমাটি আয় করেছে ১৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে আয় ১৪৯ মিলিয়ন ডলার।
আলোচিত আরেক সিনেমা ‘গোট’ গত মাসে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটির সর্বশেষ সপ্তাহের আয় ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার। আয়ে এটি চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। সিনেমাটির সব মিলিয়ে আয় ১৪৬ মিলিয়ন ডলার। আয়ে শীর্ষ ৫–এ রয়েছে ‘ওয়াদারিং হাইটস’। এর আয় চার মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে আয় ৭৯ মিলিয়ন ডলার।