‘চল্লিশের পরই জীবনের সেরা গল্প শুরু’

‘দ্য ফাইভ–স্টার উইকএন্ড’–এর প্রিমিয়ারে জেনিফার গার্নার। এএফপি

একসময় হলিউডে একটি অলিখিত নিয়ম ছিল—অভিনেত্রীর বয়স ৪০ পেরোলেই বড় চরিত্রের সুযোগ কমে যেত। নায়িকা থেকে মুহূর্তেই পার্শ্বচরিত্রে নেমে আসতেন তিনি। সেই ধারণাকেই এখন চ্যালেঞ্জ করছে নতুন প্রজন্মের টেলিভিশন ও স্ট্রিমিং সিরিজ। তারই একটি উদাহরণ পিককের নতুন সিরিজ ‘দ্য ফাইভ–স্টার উইকএন্ড’। ৯ জুলাই মুক্তি পাওয়া সিরিজটির প্রিমিয়ারে অভিনেত্রী জেনিফার গার্নার বলেছেন, ‘বয়স নয়, অভিজ্ঞতাই শিল্পীর সবচেয়ে বড় শক্তি।’

সিরিজে জনপ্রিয় কুকবুক লেখক হলিস শ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেনিফার গার্নার। বাইরে থেকে যাঁর জীবন নিখুঁত মনে হলেও স্বামীর মৃত্যুর পর ভেঙে পড়ে সেই পৃথিবী। নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেতে জীবনের বিভিন্ন সময়ের বন্ধুদের নিয়ে একটি পার্টির আয়োজন করেন তিনি। এমন গল্পের সিরিজটির চরিত্রটি গার্নারের কাছে শুধু অভিনয়ের সুযোগ নয়, বরং জীবনের নানা অভিজ্ঞতা প্রকাশেরও একটি মাধ্যম।

স্প্যানিশ সাময়িকী ওলা!–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কয়েক দশক আগেও তাঁর বর্তমান বয়সের অভিনেত্রীদের জন্য হলিউডে প্রায় কোনো কাজই থাকত না। ‘আমরা যখন অভিনয় শুরু করি, তখন আমাদের বর্তমান বয়সের নারীদের ক্যারিয়ার প্রায় শেষ হয়ে যেত। ৪০ বছরই ছিল যেন শেষ সীমা। অথচ এখন আমার বয়স ৫৪। ৪০–এর পরেই জীবনের সেরা গল্প শুরু হয়,’ বলেন জেনিফার।  

আরও পড়ুন

অভিনেত্রীর মতে, বয়স কখনোই শিল্পীর সীমাবদ্ধতা নয়। বরং সময়ের সঙ্গে মানুষের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও জীবনের উপলব্ধি বাড়ে। তাঁর ভাষায়, ‘আপনার বয়স যত বাড়ে, জীবনের অভিজ্ঞতাও তত বাড়ে। একজন মানুষ, একজন শিল্পী ও একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আপনার দেওয়ার মতো বিষয়ও অনেক বেশি হয়ে যায়।’

‘দ্য ফাইভ–স্টার উইকএন্ড’–এর প্রিমিয়ারে জেনিফার গার্নার। এএফপি