সত্যিই কি এই তারকার সঙ্গে প্রেম করছেন বেন
হলিউড তারকা বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ‘ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টারস’-এর সাবেক প্রতিযোগী ও রিয়েলিটি তারকা ব্রুকস নাডার।
২৮ বছর বয়সী এই তারকা ইনস্টাগ্রামে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া খবর অনুযায়ী, নাডার ও অ্যাফ্লেকের মধ্যে নাকি নতুন একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে—এমন জল্পনারই জবাব দিয়েছেন তিনি।
গসিপ অ্যাকাউন্ট দ্যুমোয়ার একটি পোস্টে মন্তব্য করে নাডার লেখেন, ‘আমি জীবনে কখনোই তাঁর সঙ্গে দেখা করিনি।’ ২৪ জানুয়ারির ওই মন্তব্যেই তিনি স্পষ্ট করে দেন, বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
আগেও প্রেমের গুঞ্জনে জড়িয়েছেন ব্রুকস নাডার
এই প্রথম নয়, ব্রুকস নাডারকে ঘিরে প্রেমের গুজব আগেও হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ‘লাভ থাই নাডার’-এর এই তারকা ‘জিমি কিমেল লাইভ’ অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন।
সঞ্চালক জিমি কিমেল তখন মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি ইতালিয়ান সুপারস্টার জান্নিক সিনারের সঙ্গে প্রেম করছেন?’
জবাবে নাডার হেসে বলেন, ‘এটা কি জেরা চলছে? আমি এখন ভীষণ ভয় পাচ্ছি।’
এর কিছুদিন পরই আবার গুজব ছড়ায়, তিনি নাকি একই সময়ে টেনিস তারকা জান্নিক সিনার ও কার্লোস আলকারাজ—দুজনের সঙ্গেই সম্পর্কে আছেন। এই প্রসঙ্গে ‘ওয়াচ হোয়াট হ্যাপেন্স লাইভ’ অনুষ্ঠানে নাডার বলেন, আমি শুধু এটুকুই বলব, একজন ভদ্রমহিলা কখনোই সব কথা প্রকাশ করেন না, বিশেষ করে একবার নয়, দুবার হলে তো নয়ই।’
ব্রুকস নাডারের ব্যক্তিগত সম্পর্ক
ব্রুকস নাডারের সঙ্গে বিলি হেয়ারের বিয়ে হয়েছিল ২০১৯ সালে। তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ২০২৫ সালে। এ ছাড়া তিনি তাঁর ‘ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টারস’-এর সঙ্গী নৃত্যশিল্পী গ্লেব সাভচেঙ্কোর সঙ্গেও একসময় প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন।
প্রেমের বিষয়ে নীরব বেন অ্যাফ্লেক
অন্যদিকে বেন অ্যাফ্লেক নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বরাবরের মতোই নীরব। জেনিফার লোপেজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে নতুন কোনো সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি তিনি।
অ্যাফ্লেক ও লোপেজ ২০২২ সালের জুলাইয়ে বিয়ে করেন। তবে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তাঁদের আলাদা হওয়ার খবর আসে। ওই বছরের আগস্টে লোপেজ বিচ্ছেদের আবেদন করেন এবং তা চূড়ান্ত হয় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
এর আগে ২০১৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত অ্যাফ্লেকের সংসার ছিল অভিনেত্রী জেনিফার গার্নারের সঙ্গে। বিচ্ছেদের পরও সন্তানদের লালন-পালনের কারণে তাঁদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণই রয়েছে। তাঁদের তিন সন্তান—ভায়োলেট, সেরাফিনা ও স্যামুয়েল।
সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অ্যাফ্লেকের ভাবনা
চলতি মাসের শুরুতে ই! নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাফ্লেক বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ও গার্নার কোনো ধরনের চাপ দিতে চান না।
তিনি আরও বলেন, ‘জনসমক্ষে থাকা মানুষের সন্তান হওয়াটাই একটা বাড়তি চাপ। বিষয়টা জটিল। আমি আর জেন, আর আমার বন্ধু ম্যাট ডেমন ও তাঁর স্ত্রী—আমরা সবাই চাই, বাচ্চারা নিজেরাই ঠিক করুক তারা জীবনে কী করতে চায়।’
অ্যাফ্লেক আরও যোগ করেন, ‘আমি কখনোই তাদের অভিনয়ে ঠেলে দেব না। ওরা মেধাবী, সুন্দর, দারুণ মানুষ। আমরা ওদের ভালোবাসি, ওদের নিয়ে গর্ব করি। শুধু আশা করি, অভিনয় করতে গিয়ে যেন ওরা নিজেদের জীবন নষ্ট না করে।’
পেজ সিক্স অবলম্বনে