default-image

হার্ডের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে বিচারক মহোদয় ভুল করেছেন। আর এই ভুল একটি ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তাই আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছি। আশা করি আদালত তাদের ভুল শুধরে ন্যায়বিচার করবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদিও আমরা বুঝতে পারি, আজকের এই আপিল টুইটারে দাবানলের মতো জ্বলবে। তবু স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার উভয়ই নিশ্চিত করার জন্য আমাদের এ পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।’

default-image

এর আগে অ্যাম্বার হার্ডের আইনজীবীরা বিচারকের পরিচয় নিয়ে তাঁদের সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলার নতুন করে শুনানি চেয়েছিলেন। আইনজীবীদের দাবি, রায় ঘোষণার দিন ১৫ নম্বর জুরি ছিলেন নকল ব্যক্তি! তাঁর জন্ম সাল ও বয়সের বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিচারককে ডাকাও হয়। এরপর হার্ডের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারক পেনি অ্যাজকারেট। তিনি বলেন, এখানে জালিয়াতি বা খারাপ কাজের কোনো প্রমাণ নেই। তাই এ মামলার নতুন করে শুনানি সম্ভব নয়।

default-image

২০১১ সালে একটি ছবির শুটিংয়ের সময় জনি ও হার্ডের প্রেম শুরু। ভালোবেসে ২০১৫ সালে ৩০ বছর বয়সের অ্যাম্বার বিয়ে করেছিলেন ৫২ বছরের জনি ডেপকে। মাত্র ১৫ মাস টিকেছিল তাঁদের বিয়ে। এরপর ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে একটি উপসম্পাদকীয় লেখেন অ্যাম্বার হার্ড। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, জনি তাঁকে শারীরিক, মানসিক ও মৌখিকভাবে নির্যাতন করেছেন। অবশ্য ডেপ সেসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক স্ত্রীর নামে ৫০ মিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করেন। ছয় সপ্তাহ ধরে এই মামলার শুনানি চলে ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি সার্কিট কোর্টে। এরপর ১ জুন মামলায় রায় দেন সাত সদস্যের জুরি।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন