বাজেট ১০০ মিলিয়ন ডলার, ৩৭.৫ মিলিয়ন নিলেন তিন তারকা, ২০ বছর পরে কার কত বাড়ল

মেরিল স্ট্রিপ। ছবি: এএফপি

দুই দশক পর আবারও ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’ দিয়ে ফিরেছেন হলিউডের তিন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ, অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি ব্লান্ট। মজার বিষয় হলো, সিনেমার জন্য প্রত্যেকেই সমান পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছেন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬০ কোটি টাকার বেশি। তিন তারকার মোট পারিশ্রমিক দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, যা ছবিটির ১০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটের বড় একটি অংশ।

অ্যান হ্যাথাওয়ে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা–২ ’ - এর ব্যস্ত প্রমোশন ট্যুরে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটিতে কিংবদন্তি ফ্যাশন সম্পাদক মিরান্ডা প্রিস্টলি চরিত্রে ফিরতে মেরিল স্ট্রিপকে প্রথমে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে তিনি সহশিল্পী অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি ব্লান্টের জন্যও একই পারিশ্রমিক নিশ্চিত করেন। হলিউডে এ ধরনের সমান আর্থিক চুক্তিকে বলা হয় ফেভার্ড নেশনস ডিল।

এর ফলে অ্যান্ড্রিয়া স্যাকস চরিত্রে অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি চার্লটন চরিত্রে এমিলি ব্লান্টও সমপরিমাণ অর্থ পাচ্ছেন। শুধু নির্ধারিত পারিশ্রমিকই নয়, ছবিটির বক্স অফিস সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত বোনাসও পাবেন তাঁরা।

এমিলি ব্লান্ট
ছবি: আইএমডিবি

এদিকে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল ৩২৬ মিলিয়ন ডলার। সে সময় মেরিল স্ট্রিপ পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছিলেন ৫ মিলিয়ন ডলার, আর অ্যান হ্যাথাওয়ের পারিশ্রমিক ছিল ১ মিলিয়ন ডলার। আরেক অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্ট নিয়েছিলেন ৫ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন
‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা-২ সিনেমার পোস্টার

মে মাসের শুরুতে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা-২’ ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে প্রত্যেক অভিনেত্রীর লভ্যাংশ মোট আয় ২০ মিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে ভ্যারাইটি।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ডেভিড ফ্র্যাঙ্কেল ও চিত্রনাট্য লিখেছেন অ্যালিন ব্রশ ম্যাককেনা। এই পারিশ্রমিক নিয়ে ভ্যারাইটি লিখেছে, পর্দায় মিরান্ডা প্রিস্টলি যতটা কঠোর, বাস্তবে সহশিল্পীদের মর্যাদা রক্ষায় ততটাই উদার মেরিল স্ট্রিপ। তাঁর উদ্যোগেই দুই সহ অভিনেত্রীও পেয়েছেন সমান পারিশ্রমিক—যা হলিউডে পেশাদার সৌহার্দ্যের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
ভ্যারাইটি অবলম্বনে