১৪০ মিলিয়ন ডলার আয়, বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে যে সিনেমা

‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় রায়ান গসলিং। ছবি: আইএমডিবি

মুক্তির পরই বিশ্বজুড়ে ১৪০ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় ওপেনিংয়ের রেকর্ড গড়েছে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। সায়েন্স ফিকশন সিনেমাটির কেন্দ্রে আছেন রায়ান গসলিং, যিনি সাধারণ এক বিজ্ঞান শিক্ষক থেকে মানবজাতিকে রক্ষার দায়িত্ব নেওয়া নায়ক হয়ে ওঠেন। হঠাৎ করেই এক মহাকাশ মিশনে জড়িয়ে পড়েন তিনি—পৃথিবীকে এক ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করা যাঁর লক্ষ্য।
অ্যান্ডি উইয়ারের উপন্যাস থেকে গল্পটি তৈরি হয়েছে। তাঁর আগের বই অবলম্বনে তৈরি ‘দ্য মার্শিয়ান’ সিনেমাটিও প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার, যাঁরা এর আগে ‘২১ জাম্প স্ট্রিট’, ‘দ্য লেগো মুভি’র মতো জনপ্রিয় কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরে প্রজেক্ট হেইল মেরি হয়ে উঠেছে ভিজ্যুয়ালি আকর্ষণীয় ও আবেগঘন এক মহাকাশ অভিযান। ২০ মার্চ মুক্তির পরই সিনেমাটি ছাড়িয়ে গেছে স্ক্রিম ৭-কে, যেটি ছিল এ বছরের আগের সবচেয়ে বড় ওপেনিং। প্রযোজনা সংস্থা অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওজের জন্যও এটি বড় এক সাফল্য, বিশেষ করে ৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে এমজিএম অধিগ্রহণের পর এটি তাদের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক হিট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় রায়ান গসলিং। ছবি: আইএমডিবি

সিনেমাটি নিয়ে সমালোচকদের মতামত মিশ্র। কেউ বলছেন, এটি ‘চিন্তাকে প্রসারিত করা সায়েন্স ফিকশন’, যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপভোগ্য। আবার কেউ মনে করছেন, গল্পে কিছুটা পরিচিত ছক রয়েছে, এমনকি ক্রিস্টোফার নোলানের ‘ইন্টারস্টেলার’–এর ছায়াও পাওয়া যায়। তবে প্রায় সবাই একমত—গসলিংয়ের অভিনয়ই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি।

আরও পড়ুন

গসলিং নিজেই জানিয়েছেন, এই ছবিতে কাজ করার অন্যতম কারণ ছিল বিজ্ঞানভিত্তিক গল্পের সঙ্গে হাস্যরসের মিশ্রণ। তাঁর মতে, কঠিন বৈজ্ঞানিক কাহিনিকে সহজ করে তুলতে এই উপাদান গুরুত্বপূর্ণ।
করোনা–পরবর্তী সময়ে সিকুয়েল ছাড়া নতুন গল্পের সিনেমাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় সাফল্য। ওপেনহাইমার, এফ ১–এর পাশে জায়গা করে নিয়েছে প্রজেক্ট হেইল মেরি।

বিবিসি অবলম্বনে