স্ট্যানলি কুবরিক, স্কুল পালানো সেই ছেলেটি হয়েছিলেন সময়ের সেরা নির্মাতা

ছোটবেলা থেকেই ছিলেন সিনেমার পোকা। স্কুল পালিয়ে হরহামেশাই সিনেমা দেখতেন। ১৩ বছর বয়সে বাবার কিনে দেওয়া ক্যামেরা সেই নেশা আরও উসকে দিয়েছিল, সন্দেহ নেই। হচ্ছিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা স্ট্যানলি কুবরিকের কথা। আজ এ নির্মাতার জন্মদিন। এ উপলক্ষে আইএমডিবি অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক কুবরিক সম্পর্কে কিছু জানা-অজানা তথ্য:

১ / ১০
১৯২৮ সালের ২৬ জুলাই নিউইয়র্ক শহরে জন্ম। পড়েছেন ব্রনক্সের সরকারি স্কুলে। তবে স্কুল নিয়ে আগ্রহ ছিল কমই। স্কুল কামাই করে নিয়মিত সিনেমা দেখতেন। উইকিমিডিয়া কমনস
২ / ১০
১২ বছর বয়সে বাবার কাছে দাবা খেলা শেখেন। পরে সারা জীবনই দাবা ছিল তাঁর অন্যতম আগ্রহের বিষয়। তাঁর অনেক সিনেমাতেও উঠে এসেছে দাবা প্রসঙ্গ। উইকিমিডিয়া কমনস
৩ / ১০
১৩ বছর বয়সে বাবা কুবরিককে কিনে দেন ক্যামেরা। তখন থেকেই পেয়ে বসে ফটোগ্রাফির নেশা। বন্ধুর সঙ্গে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন, মজার কিছু দেখলেই ক্লিক করতেন। উইকিমিডিয়া কমনস
৪ / ১০
ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফি হয়ে ওঠে কুবরিকের পেশা, বিভিন্ন ম্যাগাজিনের জন্য ছবি তুলতেন। ১৯৪৬ সালে লুক ম্যাগাজিনে আলোকচিত্রী হিসেবে যোগ দেন। উইকিমিডিয়া কমনস
৫ / ১০
চল্লিশের দশকের নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা বানান কুবরিক। তত দিনে বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের ছবি দেখিয়ে এক হাজার ডলার জমিয়েছেন। ১৯৫২ সালে বানান প্রথম সিনেমা ‘ফিয়ার অ্যান্ড ডিজায়ার’। ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়। আইএমডিবি
৬ / ১০
১৯৫৬ সালে মুক্তি পায় ‘দ্য কিলিং’ সিনেমাটি। তখন ততটা সাফল্য না পেলেও পরে সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা পায় সিনেমাটি। হয়ে ওঠে প্রায় সব নির্মাতার প্রিয় সিনেমার একটি। আইএমডিবি
৭ / ১০
এরপর আগে ১৯৬৮ সাল, মুক্তি পায় কুবরিকের ইতিহাস বদলে দেওয়া সিনেমা ‘২০০১: আ স্পেস অডিসি’। সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা সেই সিনেমায় কুবরিক দেখিয়েছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিণতির কথা। আইএমডিবি
৮ / ১০
কোনো ধরনের সিজিআই ছাড়াই সিনেমাটি তৈরি করেন কুবরিক, যা এখনো নির্মাতাদের কাছে আছে বড় এক বিস্ময় হয়ে। সিনেমার শুটিংয়ের পর সব প্রপস নষ্ট করে ফেলতে বলেন কুবরিক। তাঁর আশঙ্কা ছিল, এগুলো পরে মানহীন নানা কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। কুবরিকের সঙ্গে যৌথভাবে ‘২০০১: আ স্পেস অডিসি’র চিত্রনাট্য লিখেছিলেন আর্থার সি ক্লার্ক। আইএমডিবি
আরও পড়ুন
৯ / ১০
এর পরের চার দশকে আর মাত্র পাঁচটি সিনেমা নির্মাণ করেন কুবরিক। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত শেষ সিনেমা ‘আইজ ওয়াইড শাট’। আইএমডিবি
১০ / ১০
শেষ সিনেমা মুক্তির বছরই ৭০ বছর বয়সে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন কুবরিক। আইএমডিবি