গতকাল ট্রেলার উন্মোচনের সময় দুই বছর আগে ‘কলা’র দৃশ্যায়নের দিনগুলোতে ফিরে গেলেন বাবিল। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার এই শুরুর যাত্রা কষ্ট দিয়ে। আমাদের এই বিভ্রম রয়েছে, আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করছি বা করতে পারি। কিন্তু আমরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি জীবন নিয়ে যতই সামনে এগোব, ততই সে আমার দিকে কিছু না কিছু নিক্ষেপ করবে। হয়তো জীবনটাই এমন। তবে আমি সবকিছুকে আবিষ্কার করতে চাই। আমি সব ধরনের সিনেমা করতে চাই, সব চরিত্রেই অভিনয় করতে চাই।’ এর মধ্য দিয়েই নিজেকে আবিষ্কার করতে চান ইরফানপুত্র। বোঝাই যাচ্ছে, এখন থেকে অভিনয়ে নিয়মিত দেখা যাবে বাবিলকে।

২ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ট্রেলারে উঠে এসেছে ১৯৩০–৪০ সালের এক গায়িকার সংগ্রামের গল্প। ট্রেলারের শুরুতেই যে জানিয়ে দেয়, সংগীত তার অপছন্দ, এমনকি ঘৃণা করে। পরে সংগীত ক্যারিয়ারে সে জনপ্রিয়তা পায়। খ্যাতি, ভক্ত, সাংবাদিকদের বিচরণে মুখর হয়ে ওঠে গায়িকার জীবন। এই চরিত্রে নামভূমিকায় অভিনয় করেছে তৃপ্তি ডিমরি। জনপ্রিয়তা তাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছেও নিয়ে যায়। এই গায়িকাকে ভয়ানক এক অতীত তাড়া করে বেড়াচ্ছে। একসময় মানসিকভাবেও ভেঙে পড়ে। মাকে ফোনে জানায়, ভয়ংকর এক বিপদে পড়েছে সে। গায়িকার কী বিপদ, সেটা দেখা যাবে ১ ডিসেম্বর।

সেই গায়িকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বাবিলের। তাঁর চরিত্রের নাম ‘জগন’। তবে চরিত্রটি নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রাখা হয়েছে। ট্রেলারে জগনকে দেখা যায় অন্য একজনের জায়গায় স্থান করে নিয়ে জনপ্রিয় গায়িকার কাছাকাছি আসতে। ট্রেলারে নিজের মতো করেই উপস্থিত হয়েছেন তিনি। তৃপ্তির সঙ্গে তাঁর অভিনয়, নাচের দৃশ্য, বাচনভঙ্গি, কণ্ঠ দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। ঐতিহাসিক, ড্রামা, ক্ল্যাসিক্যাল, থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটিতে তৃপ্তির মায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। সাইকোলজিক্যাল এই থ্রিলার পরিচালনা করেছেন অনভিতা দত্ত। ‘কালা’ ডিসেম্বরের ১ তারিখে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।