default-image

বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে আলম খানকে বলা হয় সুরের জাদুকর। তাঁর সুরে গান গেয়ে তারকাখ্যাতি পেয়েছেন অনেক শিল্পী। স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই গীতিকার ১৯৪৪ সালের ২২ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাঁতী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘কী জাদু করিলা’, ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’, ‘সবাই তো ভালবাসা চায়’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের সুর করেছেন আলম খান।
৮ জুলাই রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান বাংলা গানের কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খান। তাঁকে শ্রীমঙ্গলে স্ত্রী হাবিবুননেসা গুলবানুর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

অন্যদিকে মঞ্চ, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী শর্মিলী আহমেদ অভিনয় শুরু করেন মাত্র চার বছর বয়সে। তাঁর প্রকৃত নাম মাজেদা মল্লিক। ১৯৪৭ সালের ৮ মে তাঁর জন্ম। রাজশাহী বেতারের শিল্পী ছিলেন তিনি। ষাটের দশকে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নাম লেখান শর্মিলী। তাঁর স্বামী রকিবউদ্দিন আহমেদও ছিলেন পরিচালক। তাঁর নির্মিত ‘পলাতক’ ছবিতে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ।

default-image

স্বাধীনতার আগে উর্দু ছবিতেও তিনি অভিনয় করেন। পরে ‘রূপালী সৈকতে’, ‘আগুন’, ‘দহন’-এর মতো জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে ছিল তাঁর সরব উপস্থিতি। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ নাটক ও ১৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ৮ জুলাই চিরনিদ্রায় শায়িত হন অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ। রাজধানীর বনানীতে স্বামীর কবরে শর্মিলী আহমেদকে সমাহিত করা হয়।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন