default-image

‘রূপবান’-এর মূল চরিত্রে দেখা যাবে প্রিয়ন্তী উর্বীকে। এই অ্যান্থলজি ছবি দিয়েই ওটিটিতে অভিষেক হচ্ছে তাঁর। আর প্রথম কাজেই পেয়েছেন মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনা। তাই এই অভিনেত্রীর যেন উচ্ছ্বাসের শেষ নেই, ‘সবকিছু মিলিয়ে এমন অদ্ভুত একটা অনুভূতি কাজ করছে যে তা ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এতটুকু বলতে পারি, কাজটি নিয়ে আমি অনেক নার্ভাস। একে তো ওটিটির প্রথম কাজ, তার ওপর আবার সুমন ভাইয়ের পরিচালনায় কাজ করেছি...। খুব ভয়ে আছি দর্শকদের ভালো লাগবে কি না।’ ‘

default-image

রূপবান’ চরিত্রের জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেছেন—জানতে চাইলে উর্বী বলেন, ‘প্রায় তিন মাস আমার গ্রুমিং চলেছে। আমার হাসতে মানা ছিল। এটা আমার জন্য ছিল অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, বাস্তবে আমি কারণে-অকারণে হাসি। শুটিংয়ের সাত দিন আমার ফোন ব্যবহারও ছিল নিষেধ। তা ছাড়া সারা দিন কোলে একটা বাচ্চা ছিল। সব মিলিয়ে দারুণ এক অভিজ্ঞতা হয়েছে। এখন দর্শকদের কেমন লাগবে, সেই প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।’কোথায় পালাবে বলো রূপবান পরিচালকের জন্যও একধরনের প্রত্যাবর্তন। কারণ, এই অ্যান্থলজি সিনেমাটি দিয়ে ১০ কি ১২ বছর পর ফিকশন নির্মাণ করলেন সুমন। এই মুহূর্তে অ্যান্থলজি সিনেমাটি নিয়ে তিনিও বলেন, ‘প্রায় ১২ বছর পর আবার ফিকশনে ফেরা। সেটা একটা অ্যান্থলজি প্রজেক্টের মধ্য দিয়ে। সামনে আমার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা মুক্তি পাবে। সব মিলিয়ে সময়টা খুব আনন্দের।’

default-image

অন্য দুই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করে সবচেয়ে আনন্দ পেয়েছেন উল্লেখ করে সুমন আরও বলেন, ‘এই প্রজেক্টে সব থেকে ভালো লাগার বিষয় হলো আমদের একসঙ্গে কাজ করা। এভাবে তিন পরিচালকের চিন্তার আদান–প্রদান হয়েছে। সেটা হয়তো অন্য সময় আড্ডার ছলে হয় কিন্তু এবার সেটা হয়েছে কাজের মাধ্যমে।’কোথায় পালাবে বলো রূপবান-এ উর্বীর সঙ্গে আরও দেখা যাবে মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, রাশেদা রাখি, কামরুজ্জামান তপু, দৃষ্টি প্রামাণিকসহ অনেককে।

ওটিটি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন