default-image

বাঁধন বলেন, ‘কাজটা আমার জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। কতটা চ্যালেঞ্জিং সেটা আসলে দর্শক দেখলেই বুঝতে পারবেন। আমি আসলে খুব খুশি আর কৃতজ্ঞ যে চরকি নারী চরিত্রপ্রধান সিরিজ নির্মাণ করেছে।’ তাঁর ভাষ্যে, ‘শঙ্খ একজন মেধাবী নির্মাতা। একদম ভিন্ন প্লট, ভিন্ন চরিত্র, ভিন্ন ধরনের গল্প ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন তিনি। আমার চরিত্রটা নিয়ে শঙ্খের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলাপ চলেছে। চরিত্রটা অনেক দিন ধরে নিজের মধ্যে ধারণ করছি। কী ওড়না পরব, কী রঙের কাপড় পরব, কোনটা পরলে একদম ওই চরিত্রের মতো লাগবে—এসব নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’

default-image

বাংলাদেশে নারীপ্রধান চরিত্রের কাজ আরও বাড়বে বলে মনে করেন বাঁধন, তার ভাষ্যে, ‘বাংলাদেশে নারীপ্রধান চরিত্রের কাজ চলে না, এই কথা শুনতে চাই না। কথাটা যখন শুনেছি তখনই হৃদয়ে আঘাত পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এই ধারণার পরিবর্তন হবে। আমরা আমাদের কাজ দিয়েই এই চিন্তার পরিবর্তন করতে পারব। দর্শককেও নতুন কিছু দিতে পারব।’

default-image

ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় সিরিজের শুটিং হবে বলে জানালেন পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘চরকির সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। কাজটার জন্য খুব উন্মুখ হয়ে আছি। এখন পর্যন্ত আমাদের চিত্রনাট্যের ৭ নম্বর খসড়া হয়েছে। এখন শিল্পী নিয়ে চিত্রনাট্য পড়া হচ্ছে। আমরা যে অঞ্চলে শুটিং করব, সেই অঞ্চলের শিল্পীদের নেওয়া হচ্ছে।’

ওটিটি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন