তৃপ্তি জানান, এই ছবিতে তাঁর চরিত্রকে রীতিমতো গুলে খেয়েছেন তিনি। চরিত্রের প্রস্তুতির প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি ও অনভিতা এক কৌশল তৈরি করেছি। আমরা চরিত্রটিকে তার পাঁচ বছর বয়স থেকে নির্মাণ করেছি। “বুলবুল” ছবির ক্ষেত্রেও তা–ই করেছিলাম। এখানেও একই কৌশল প্রয়োগ করেছি। আর এটা আমাকে নিজের চরিত্রের গভীরে যেতে সাহায্য করেছে। নিজেকে আমি যতটা ভালো চিনি, অতটাই ভালো আমি কলাকে চিনি।’

তৃপ্তি আরও বলেন, ‘এই ছবিতে আমি গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছি। এই ছবির মিউজিক টিমের সঙ্গে দুই দিন গোয়াতে ছিলাম। কীভাবে সংগীতের জন্ম হয়, খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য তখন আমার হয়েছিল। (সংগীত পরিচালক) অমিত ত্রিবেদীকে দেখেছি মাত্র দুই দিনের মধ্যে সংগীতে ম্যাজিক সৃষ্টি করতে। বাবিল (খান), স্বস্তিকা (মুখোপাধ্যায়) ম্যাম, অমিত ত্রিবেদী—তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ। একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠেছিলাম আমরা। প্রত্যেকের সঙ্গে দারুণ বন্ডিং হয়ে গিয়েছিল। আসলে সবার সঙ্গে আমি সহজে মিলেমিশে যাই।’

আগামী দিনে তৃপ্তিকে বড় পর্দায় দেখা যাবে। ‘অ্যানিমেল’ ও আনন্দ তিওয়ারির নাম ঠিক না হওয়া ছবিতে আসতে চলেছেন তিনি।