‘গবলিন’–এর শুটিং স্পটে স্মৃতিকাতর শিল্পীরা
দক্ষিণ কোরিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন তোলে ‘গবলিন’। ২০১৬ সালে প্রচারিত কে ড্রামাটি ১০ বছর পরও ভক্তদের কাছে জনপ্রিয়।
এক দশক পূর্তি উপলক্ষে আড্ডায় মজলেন গং ইউ, ইউ ইন-না, কিম গো-উন ও লি ডং-উক।
পুরোনো দিনের স্মৃতি, শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আর বন্ধুত্বের গল্পে ভক্তদের আবেগী করে তুলেছেন তাঁরা।
কোরীয় টেলিভিশন চ্যানেল টিভিএন শনিবার প্রচার করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘গবলিন টেন্থ অ্যানিভার্সারি ট্রিপ’–এর প্রথম পর্ব।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তাঁরা যান দক্ষিণ কোরিয়ার গাংনিউং শহরে। সেখানে ‘গবলিন’–এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল।
নাটকে গং ইউ অভিনয় করেছিলেন অমর গবলিন কিম শিন চরিত্রে। কিম গো-উন ছিলেন তাঁর কনে জি উন-তাক চরিত্রে। ১০ বছর পর আবার তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়। ইউ ইন-না ও লি ডং-উকও ফিরে দেখেন নাটকের স্মৃতি এবং তাঁদের চরিত্রের কথা।
গং ইউ বলেন, ‘“গবলিন” এখনো শীত এলেই মানুষের মনে পড়ে। এই নাটক আমার জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল শীতের স্মৃতি।’
নাটক শেষ হওয়ার পরও অভিনয়শিল্পীদের বন্ধুত্ব টিকে আছে। গং ইউ ও কিম গো-উন একই এলাকায় থাকেন, তাই তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। লি ডং-উক জানান, গত বছর এক আড্ডায় ‘গবলিন’–এর ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আবার একসঙ্গে কিছু করার কথা ওঠে।
লি ডং-উক বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে ছিলাম—কিম গো-উন, গং ইউ আর আমি। তখন ভাবছিলাম, নাটকের ১০ বছরপূর্তিতে বিশেষ কিছু করা যায় কি না।’
পুরোনো সময়ের কথা বলতে গিয়ে গং ইউ মজা করে বলেন, ‘তখন যে আমার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল, সেটা বুঝতেই পারিনি। প্রতিবারই এমন হয়।’
তাঁর কথায় ইউ ইন-না বলেন, ‘আমাদের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’
এরপর চার অভিনয়শিল্পী যান জুমুনজিন ব্রেকওয়াটারে। ‘গবলিন’–এর অন্যতম জনপ্রিয় দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল এই জায়গায়। নাটকে কিম শিন ও জি উন-তাকের প্রথম দেখা হওয়ার দৃশ্যটি এখানেই ধারণ করা হয়েছিল।
১০ বছর পরও জায়গাটি ভক্তদের কাছে জনপ্রিয়। সেখানে গিয়ে পুরোনো স্মৃতি মনে করেন অভিনয়শিল্পীরা। গং ইউ ও কিম গো-উন আবারও করেন নাটকের সেই বিখ্যাত দৃশ্য—লাল স্কার্ফ ও বাকউইট ফুলের মুহূর্ত।
গং ইউ হাসতে হাসতে বলেন, ‘অদ্ভুত লাগছে। মনে হচ্ছে, ১০ বছর পর আমার কনে উন-তাককে বড় হয়ে দেখছি।’
‘গবলিন’ শুধু দক্ষিণ কোরিয়ায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কল্পনা, প্রেম ও আবেগের গল্পের কারণে নাটকটি কোরীয় বিনোদনজগতের অন্যতম আলোচিত কাজ হয়ে উঠেছে।
হানকুকইলবো অবলম্বনে