বাংলাদেশ–পাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিতে ‘দম’, উচ্ছ্বাসে যোগ দিলেন নিশো–পূজা
ওয়ানডেতে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ১১ রানের জয় তুলে নেয় টাইগাররা, নিশ্চিত করে সিরিজও। মাঠের লড়াই যেমন উত্তেজনায় ভরপুর ছিল, তেমনি গ্যালারিতেও ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস। সেই উচ্ছ্বাসে নতুন মাত্রা যোগ করেন আসন্ন চলচ্চিত্র ‘দম’–এর শিল্পী ও কলাকুশলীরা।
বিকেলের দিকে গ্যালারিতে দেখা যায় ‘দম’–এর টিমকে। ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো, চিত্রনায়িকা পূজা চেরী, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিলসহ সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন সদস্য সাধারণ দর্শকের সঙ্গে বসেই উপভোগ করেন ম্যাচটি। বাংলাদেশের প্রতিটি বাউন্ডারি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাঁদের উচ্ছ্বাসে গ্যালারি যেন আরও সরব হয়ে ওঠে।
গ্যালারিতে আফরান নিশো ও পূজা চেরীকে ঘিরে ছিল দর্শকদের বাড়তি আগ্রহ। খেলার ফাঁকে অনেকেই তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলেন, কুশল বিনিময় করেন। তারকারাও দর্শকের সঙ্গে মিশে যান স্বাভাবিকভাবেই।
প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘ক্রিকেট আর সিনেমা—দুটিই বাংলাদেশের মানুষের আবেগের জায়গা। জাতীয় দলকে উৎসাহ দিতেই আমরা মাঠে এসেছি। দর্শকের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তাতে আমরা সত্যিই আপ্লুত।’
দীর্ঘদিন পর গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে আফরান নিশো বলেন, ‘মিরপুরের গ্যালারির গর্জন সব সময়ই অন্য রকম অনুভূতি দেয়। বাংলাদেশ–পাকিস্তান ম্যাচে সেই উত্তেজনা সরাসরি অনুভব করতে পেরে দারুণ লাগছে। আমাদের সিনেমা “দম”ও সাধারণ মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। মাঠে হোক বা পর্দায়—আমরা জয়ই দেখতে চাই।’
পূজা চেরীও বলেন, ‘দম’–এর টিমের সঙ্গে মাঠে এসে টাইগারদের সমর্থন করতে পেরে তিনি খুব আনন্দিত।
এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড ও চরকি প্রযোজিত ‘দম’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেদওয়ান রনি।
আফরান নিশো, পূজা চেরী, চঞ্চল চৌধুরী ও ডলি জহুর অভিনীত এই সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন রেদওয়ান রনি, রবিউল আলম, সৈয়দ আহমেদ শাওকী, আল-আমিন হাসান ও মো. সাইফুল্লাহ।
এদিকে মাঠের লড়াইয়েও ছিল নাটকীয়তা। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান, হাতে মাত্র এক উইকেট। কিন্তু রিশাদ হোসেনের দারুণ বোলিংয়ে শেষ দুই ব্যাটসম্যান শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ মাত্র ২ রান তুলতে পারেন। শেষ পর্যন্ত ১১ রানের জয় পায় বাংলাদেশ, তাতে ২–১ ব্যবধানে সিরিজও নিজেদের করে নেন টাইগাররা।
মাঠের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতে ‘দম’ টিমের উপস্থিতি শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উচ্ছ্বাসে যোগ করে বাড়তি প্রাণ।