তাসনুভা তাবাচ্ছুম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল, এমন একটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করব। ‘মিস অ্যান্ড মিসেস প্লাস বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার কথা শুনেই মনে হয়েছে, এটা আমার জীবনের সেরা প্ল্যাটফর্ম। তারপর নাম নিবন্ধন করি।’ শৈশব থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি, প্রথমবারের মতো কোনো সৌন্দর্যবিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন তাসনুভা। প্রথম হয়ে নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে চান তিনি।

তাসনুভা তাবাচ্ছুমের ভাষ্য, ‘টপ ফাইভে যাওয়ার পর থেকেই আমার মনে হচ্ছিল আমি বিজয়ী হব। আমার নাম ঘোষণার পর বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। প্রথমবারের মতো এত বড় একটা জায়গায় বিজয়ের মুকুট পরব—এটা অন্য রকম একটা অনুভূতি। যা আগে কখনো অনুভব করা হয়নি। খুবই ভালো লাগছিল।’
প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন দিলারা জামান, আবিদা সুলতানা, চয়নিকা চৌধুরী, রোজিনা, আফরান নিশোসহ আরও অনেকে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিবিএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ।

আয়োজক মালা খন্দকার বলেন, ‘এটি কেবল সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাই নয়, স্বাস্থ্যবতী নারীদের নিজেদের ক্ষমতা ও শক্তি উপলব্ধির মাধ্যমও। কোনো ছেলে বা মেয়ে তাঁর শারীরিক গঠনের জন্য যাতে শেমিংয়ের শিকার না হন এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই এই প্রতিযোগিতার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।’