বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ইমন খান বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আমি শুরুর পাঁচ–ছয় মাস পর প্রথম দিকে ৫০ হাজার, কখনো লাখ টাকা ওঠাতে পারতাম। এবারই প্রথম এত টাকা পাইছি। আমি কোনো দিনও কল্পনা করিনি, ২৮ দিনে ইউটিউবে ৪৪ লাখ টাকা জমা হবে। আমার কাছে তাজ্জব ব্যাপার মনে হয়েছে। হয়তো আমার ভাগ্যে ছিল। এই চ্যানেলকে দাঁড় করানোর জন্য দুই বছর ধরে অনেক কষ্ট করেছি। অনেক ইনভেস্ট করেছি। দর্শকের এই ভালোবাসায় আমি খুশি।’

default-image

করোনার মধ্যে গান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে স্টেজ শো দিয়ে আয় করে চলেন, সেটাও বন্ধ। কত দিন করোনা চলবে, ক্যারিয়ার কোন দিকে যায়—এসব ভাবনায় নিজেই ইউটিউবে একটি চ্যানেল চালু করেন। ‘ভাই, খেয়েপরে বেঁচে থাকার জন্যই চ্যানেলটি করতে হয়েছিল। প্রথম দিকে মনে হয়েছিল, করোনার মধ্যে দর্শক কি আর গান শুনবেন? যদি না শোনেন, তাহলে কী হবে? আমার ভবিষ্যৎ কী? পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব। আবার মনে হয়, এমনও হতে পারে, দর্শক ঘরে বসে গান শুনবেন। এটা ভেবে ইউটিউবে চ্যানেল চালু করি। ভেবেছিলাম কিছু টাকা পেলে হয়তো বাঁচতে পারব। পাশাপাশি নিজের গান তো দেওয়া যাবে। গান আর চ্যানেলের মধ্যেই থাকতে চেয়েছি,’ কথাগুলো বলেন ইমন।

default-image

করোনার শুরুতে ভেঙে পড়া ইমন ক্রমেই আবার আশার আলো দেখতে থাকেন। গান গাওয়া বাদ দেননি। নিজের গান নিজের চ্যানেলে ছাড়তে শুরু করেন। নিজেই রাতদিন প্রচারণা চালান। গানগুলো দর্শকপ্রিয়তা পায়। ইমন বলেন, ‘এখন নিজের চ্যানেলটাই একটু গোছগাছ করছি। কিন্তু গান করে দেওয়ার জন্য এত মানুষ ধরেন যে নিজের চ্যানেলটার জন্যই গান করতে পারি না। ইউটিউবের এই ব্যবসা আগে বোঝা ছিল না। এখন মনে হচ্ছে, চ্যানেলের পেছনে শ্রম দিলেও ভালো কিছু হবে।’

ইমন খানের বয়স তখন ২০ বছর। প্রথমে চারটি অডিও অ্যালবাম বের করেও সেভাবে কোনো সাফল্য আসেনি। ২০০৭ সালের শেষের দিকে ১২টি গান নিয়ে ইমন বের করেন ৫ নম্বর অডিও অ্যালবাম ‘কেউ বোঝে না মনের ব্যথা’। সেই অ্যালবামেই ছিল ‘আজও প্রতি রাত জেগে থাকি তোমার আশায়’। গানটি রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসে। শোনা যায়, ২০০৮ সালে ইমন খানের এই অ্যালবামের মোট ১৫ লাখ কপি বিক্রি হয়।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন