বিজ্ঞাপন

জীবনের যা কিছু কলুষিত, তা থেকে মুক্ত হয়ে পুণ্যের জয়গানের আহ্বানেই নতুন করে গানটি গাওয়া, সংগীতচিত্র নির্মাণ করা। প্রথমবার গানটি শোনার অনুভূতি জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘গানটা শুনে আমার সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। মনে হয়, কেউ আমার ভেতরের যন্ত্রণা, না পাওয়া, বেদনা, ভয়, ক্ষোভ—সবকিছুকে প্রবলভাবে নাড়া দিল। যেন কেউ আমার মনের কথাগুলোই তীব্রভাবে গানের কথা ও সুরে বলে দিল।’ এই সংগীতচিত্রে অভিনয়ের জন্য সাঙ্গু নদের জলে ভিজতে হয়েছে বাঁধনকে। অভিজ্ঞতার ভাগ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কাজটা করার জন্য আমি দুদিন সাঙ্গু নদে ডুবে ছিলাম। কাজটা করে আমার যে কী ভালো লেগেছে, আমার মনের খোরাক জুগিয়েছে এটা।’ এই সংগীতচিত্রে বর্তমান সময়ের উপযোগী করে নারীদের বঞ্চনার কথাও প্রকাশ করা হয়েছে।

default-image

রাঙামাটির থানচি থেকে ২৩ কিলোমিটার ভেতরে রেমাক্রিতে হয়েছে এ গানের শুটিং। এ জায়গাকে বেছে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে নির্মাতা পিপলু বলেন, ‘আমি এর আগে কখনো এ ধরনের কাজ করিনি। নারীর সঙ্গে তো প্রকৃতির একটা গভীর যোগাযোগ আছে। প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার জন্য রেমাক্রি যাওয়া। গাছ, পাথর, পানি, ভোরের কুয়াশা—এগুলো একসঙ্গে পাওয়া যায় ওখানে। আর সুস্মিতা আনিস, অর্ণব, আমি, মহসিনা আখতার, বাঁধন—আমাদের এই দলের কম্বিনেশনটাও কিন্তু দারুণ। এটাকে আমি মিউজিক ভিডিও না বলে চার মিনিটের একটা মিউজিক্যাল ফিল্ম বলতে চাই।’

default-image

গত ২৪ মার্চ সুস্মিতা আনিসের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশিত হয় সংগীতচিত্রটি। কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে গানটি নতুন করে প্রকাশিত হয়েছে প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন