বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিংকু বলেন, ‘দুবার স্ট্রোক হলো। দুবারই মেজর স্ট্রোক। এখন যদিও অনেকটা ভালো আছি, তবে কথায় একটু জড়তা আছে। জানুয়ারি থেকে মিরপুর সিআরপিতে থেরাপি চলছে। থেরাপিই এখন আসল চিকিৎসা। আমার শরীরের বাঁ পাশ পুরোটাই অবশ হয়ে গিয়েছিল। এখন আস্তে আস্তে ভালো হচ্ছে।’

default-image

রিংকু জানান, করোনার সময় ঢাকার মিরপুরের কাজীপাড়ার নিজের বাসা ছেড়ে পাঁচ মাসের মতো গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। আগস্টে ঢাকায় ফিরেছেন।

রিংকু বলেন, ‘আগের থেকে অনেকটা ভালো বোধ করছি, গান গাইতে পারছি। তবে আগে যে স্পষ্টতা ছিল, তা আর কোনো দিন ফিরবে কি না, জানি না। সময় গেলে হয়তো ঠিক হবে। এর মধ্যে কয়েকটা গান প্রকাশিত হয়েছে। গতকালও একটা নতুন গান প্রকাশিত হয়েছে।’

default-image

সম্পর্ক নামে রিংকুর একটি রেকর্ডিং স্টুডিও আর অডিও গানের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রিংকু জানান, এখানে নিজের নতুন গান রেকর্ডিং ও অন্যদের গান পৃষ্ঠপোষকতার পরিকল্পনাও আবার চলছে।
২০০৫ সালে একটি রিয়েলিটি শো ক্লোজআপ ওয়ান-এর মাধ্যমে পরিচিতি পান রিংকু। এরপর বাউল, মরমি ও সুফি গান গেয়ে সব ধরনের শ্রোতার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এ গায়ক।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন