বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ফেব্রুয়ারির শুরুতে ঐশীর বাবা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। প্রথম দিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও পরে আরও একবার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তাঁর হার্টে রিং বসানো হয়। তখন ছবিটি তুলেছিলেন ঐশী। সে সময় তাঁর বাবাও কিছুটা সুস্থ বোধ করছিলেন। বাবার চিকিৎসার সময় পাশে থাকা, চিকিৎসা করার সুযোগ মেয়ে হিসেবে গর্বের। সেই ছবি তখন ফেসবুকে পোস্ট করেননি। ঐশী অপেক্ষা করছিলেন বাবা কিছুটা ভালো হলেই ছবিটি পোস্ট করবেন। কিন্তু কখনোই ভাবেননি এভাবে হঠাৎ করেই বাবাকে হারাবেন। ঐশীকে ফোন করা হলে তাঁর মা ফোন ধরে বলেন, ‘মেয়ে ডাক্তার হচ্ছেন এটা নিয়ে ওর বাবা খুব খুশি হয়েছিলেন। চিকিৎসার সময় বাবার সব বিষয়েই ঐশী খেয়াল রাখছিল। তখন বাবার সঙ্গে ছবিটি তুলেছিল। ছবি তোলা দেখে ওর বাবা বলেছিল ছবিটি যখন ফেসবুকে দেবে তখন লিখবে, ‘মেয়ে যখন ডাক্তার, বাবা তখন রোগী’। ঐশী অপেক্ষা করছিল বাবা সুস্থ হলে ছবিটি পোস্ট করবে। কিন্তু সেটা আর হলো না। আপনারা ওর বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

default-image

ব্যস্ততা থেকে হঠাৎ কাজে কিছুটা বিরতি নিতে হয়েছে ঐশীকে। চেষ্টা করছেন আবারও নিয়মিত কাজে ফিরতে। তাঁকে নিয়ে বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল। সেসব কথা জানিয়ে ঐশী বলেন, ‘দোয়া করবেন, আমি যেন আমার আব্বুর সব স্বপ্ন পূরণ করতে পারি। আমি ও আমার পরিবার যে কী হারিয়েছি, সেটা বোঝার ক্ষমতা কারোর নেই। তারপরও এই সময়ে কিছু মানুষকে অনেক আপন করে পাশে পেয়েছি, যাদের প্রতি আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। আমার ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন সবাই।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাজ করব কি করব না, এই ভেবে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। কাজ আমার কাছে সবার আগে। কাজের মাঝে থাকব এবং চেষ্টা করব আব্বুর আমাকে নিয়ে দেখা সব স্বপ্ন পূরণ করতে।’

default-image

গত ২৬ মার্চের একটি অনুষ্ঠান করেছিলেন। ঐশী জানালেন, ঈদের পর থেকে নিয়মিত স্টেজ শোসহ অন্য সব কাজে সচল থাকবেন। ঐশীর বাবা আবদুল মান্নান গত ২০ মার্চ মারা যান। সেদিন ‘মুক্তির উৎসব ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী মেলা’ উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর স্টেডিয়ামে গান গাইতে গিয়েছিলেন তিনি, সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা। মেয়ে ঐশী অনুষ্ঠান শেষে ঢাকায় ফিরবেন, তখনই খবর পান বাবা আবদুল মান্নানের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন