ছবিতে ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের নানা ঘটনা

তিনি চলে গেছেন তা–ও ১৭ বছর। ২০০৯ সালের আজকের দিনে মাইকেল জ্যাকসন প্রয়াত হন। কিন্তু এখনো এতটা প্রাসঙ্গিক যে নানা প্রসঙ্গে বারবার ঘুরেফিরে আসে তাঁর নাম। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক কিংবদন্তি এই গায়কের জীবনের নানা ঘটনা—
১ / ১০
যে বছর মাইকেল মারা যান, সেই ২০০৯ সালে তাঁর অ্যালবাম যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এমনকি পরের এক বছর বিশ্বজুড়ে তাঁর অ্যালবাম বিক্রি হয় বিশ্বজুড়ে ৩৫ মিলিয়নের বেশি কপি
আইএমডিবি
২ / ১০
স্পাইডার-ম্যান হতে চেয়েছিলেন মাইকেল। নব্বইয়ের দশকে তিনি চেষ্টা করেন মার্ভেল কমিকসের স্বত্ব কিনতে। চেয়েছিলেন ‘স্পাইডার-ম্যান’–এর রিমেক সংস্করণ বানাতে
আইএমডিবি
৩ / ১০
দুর্দান্ত নাচের জন্য আলাদা খ্যাতি ছিল মাইকেল জ্যাকসনের। কিন্তু একবার এই নাচের অনুশীলন করতে গিয়েই নাক ভেঙে ফেলেছিলেন গায়ক। সেটা ১৯৭৯ সালের ঘটনা। ‘অব দ্য ওয়াল’ অ্যালবাম মুক্তির পরের ঘটনা সেটি। দুর্ঘটনাটির পর নাকের অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে অস্ত্রোপচার করতে হয় তাঁকে
আইএমডিবি
৪ / ১০
পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা মাইকেল জ্যাকসন। তাঁর মৃত্যুর এক দশক পরও মাইকেলের যেকোনো স্মারক নিলামে উঠলেই আগ্রহী ব্যক্তিদের লাইন পড়ে যায়
আইএমডিবি
৫ / ১০
মাইকেল জ্যাকসনের প্রথম স্ত্রী লিসা মেরি প্রিসলি। আরেক গায়ক এলভিস প্রিসলির মেয়ে তিনি। তবে এই বিয়ে টেকেনি, ১৯৯৪ সালে বিয়ের ২০ মাস পরই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়
আইএমডিবি
৬ / ১০
মাইকেলই ইতিহাসের একমাত্র গায়ক, যুক্তরাষ্ট্রে যাঁর একই অ্যালবামের পাঁচটি গান টপ চার্টের শীর্ষে। পরে মাইকেলের এই রেকর্ডে ভাগ বসান কেটি পেরি
আইএমডিবি
৭ / ১০
মাইকেল জ্যাকসন নিয়ে কিছু লিখলে ‘থ্রিলার’ অ্যালবামের প্রসঙ্গ আসবেই। সর্বকালের সেরা বিক্রি হওয়া অ্যালবামগুলোর একটি এটি। বিশ্বজুড়ে ১০০ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয় অ্যালবামটি। সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে তাঁর অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে ৭৫০ মিলিয়নের বেশি
আইএমডিবি
৮ / ১০
গানের সঙ্গে কারাতেতেও পারঙ্গম ছিলেন মাইকেল জ্যাকসন। ছিলেন ব্ল্যাক বেল্ট, যা তিনি অর্জন করেছিলেন জাপানে, ১৯৯০ সালে
আইএমডিবি
৯ / ১০
গান ছাড়া বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাইকেল জ্যাকসন। এ জন্য ১৯৯৮ ও ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন
আইএমডিবি
১০ / ১০
২০০৯ সালের ২৫ জুন মৃত্যু হয় কিংবদন্তি এই গায়কের। তাঁর মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর মানুষ গুগলে এতবার সার্চ করেন যে ইন্টারনেট ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। টিভিতে মাইকেলের শেষকৃত্য দেখেন ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মানুষ, যা প্রিন্সেস ডায়ানার পর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের শেষকৃত্য দেখার রেকর্ড
আইএমডিবি