প্রধানমন্ত্রী বললেন, আমিও তাঁর ভক্ত—তাঁর গান আমার পছন্দের...

আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনার হাতে একুশে পদক তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানছবি : বিএনপি মিডিয়া সেল

বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে অনন্য এক নাম—আইয়ুব বাচ্চু। মৃত্যুর সাত বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সর্বোচ্চগুলোর একটি এসে পৌঁছাল তাঁর নামের পাশে। এবারের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে এই রুপালি গিটারের কিংবদন্তিকে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে একুশে পদক তুলে দেওয়া হয় আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনার হাতে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন তাঁর কাছে।  

আইয়ুব বাচ্চু

পদক গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত চন্দনা জানান, এই মুহূর্তে তাঁর মনে হয়েছে—আইয়ুব বাচ্চু বেঁচে থাকলে আজ অনেক বেশি খুশি হতেন। পুরস্কার গ্রহণের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপেও উঠে আসে অতীতের স্মৃতি। চন্দনা জানান, জীবদ্দশায় আইয়ুব বাচ্চু বিভিন্ন রাজনৈতিক আয়োজনে গান গেয়েছেন এবং সেই সূত্রে তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি বললাম, আইয়ুব বাচ্চু আপনাকে পছন্দ করতেন। তখন প্রধানমন্ত্রী বললেন, আমিও তাঁর ভক্ত—তাঁর গান আমার পছন্দের।’

আইয়ুব বাচ্চু ও ফেরদৌস আক্তার
ফেসবুক থেকে

পদকপ্রাপ্তির পর ব্যান্ড এলআরবির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয় একটি বার্তা। সেখানে বলা হয়, এই সম্মান শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়—এটি আইয়ুব বাচ্চুর আজীবন সংগীতসাধনার প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন। বাংলা রক সংগীতে তাঁর সাহসী, সৃজনশীল ও নতুনত্বপূর্ণ অবদান দেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও স্বাতন্ত্র্য এনে দিয়েছে—এ কথাও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

আইয়ুব বাচ্চু
ছবি: প্রথম আলো

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, রাষ্ট্র যখন একজন শিল্পীর অবদানকে স্বীকৃতি দেয়, তখন তা শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো সংগীতাঙ্গনকে সম্মানিত করে। একই সঙ্গে এটি নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। পোস্টের শেষাংশে একটি প্রত্যাশাও উঠে আসে—আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টিশীলতা, দেশপ্রেম ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের স্বীকৃতিস্বরূপ একদিন স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানেও তাঁর নাম যুক্ত হবে।