কারণ, ওই সময়টায় তিনি গান গাওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। অসুস্থ ছিলেন, লন্ডনে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য তাঁর জন্য একটি ঠুমরি লিখেছিলাম। ঠুমরিটা লিখেছিলাম বাংলা শব্দ ব্যবহার করে। কথাগুলো এ রকম ‘মেঘলা রাত ম্যায় শোয়ি নেহি, ম্যাঁ আওর তুম আউর কই নেহি’। আশা করছি, এটা আমরা রেকর্ড করব।

রুনাজির অনেক ভালোবাসার কথা আজ মনে পড়ছে। আমি তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। স্বামীর সঙ্গেও দেখা করেছি। পরিবারের অন্যদের সঙ্গেও দেখা হয়েছে, আড্ডা দিয়েছি, যখন ঢাকায় গিয়েছি। তাঁর সঙ্গে আমার স্মৃতি এখনো সতেজ, মনে হয় গতকালই যেন আমাদের দেখা হয়েছে। আবার যদি ঢাকায় যাওয়ার সুযোগ পাই, অবশ্যই রুনাজির সঙ্গে দেখা করব, তাঁকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে আসব। তার আগে আমার ভালোবাসাটা তাঁকে পাঠিয়ে দেবেন।

রুনা লায়লা অসাধারণ একজন শিল্পী। তাঁর সময়ের তিনি সেরা একজন শিল্পী। এখন পর্যন্ত তাঁর কণ্ঠ দ্যুতি ছড়াচ্ছে। জাদু ছড়াচ্ছে। তিনি এখন খুব কম গান করেন, আগের মতো গান না। মঞ্চে গাওয়ার আলাদা একটা স্টাইল তাঁর আছে, স্টাইলটা আমার ভীষণ পছন্দ। তিনি যেভাবে মঞ্চে গান করেন, দেখতে খুবই চমৎকার লাগে।