default-image

‘কেন, কে জানে’ গানটি ছাড়াও এর আগে ‘আহারে শহরে’ ও ‘দাম বাড়েনি মানুষের’ শিরোনামে আরও দুটি গান প্রকাশ করেছে ব্যান্ডটি। তিনটি গানেরই কথা লিখেছেন রাফিউজ্জামান রাফি।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতাঙ্গনে কাজ করছেন গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক সুমন কল্যাণ। বিভিন্ন প্রজন্মের শিল্পীরা তাঁর সুর ও সংগীতে গান গেয়েছেন। নিজেরও একাধিক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। স্বপ্ন ছিল, নিজের একটি গানের দল হবে। তিন সহযোদ্ধাকে নিয়ে তাই এ বছরের শুরুতে সুমন কল্যাণ গড়েন ‘ক্ষ্যাপার দল’। সুমন ছাড়া ব্যান্ডের অন্য সদস্যরা হলেন মান্নান সোহেল (ড্রাম), রাজীব ঘোষ (লিড গিটার), দানেশ (বেজ গিটার)। সুমন জানান, দলের সবাই সমমনা। তাই তাঁর বিশ্বাস, অনেকটা পথ পাড়ি দিতে পারবেন।

চট্টগ্রামে বড় হওয়া সুমন কল্যাণের বেড়ে ওঠা ব্যান্ড মিউজিক দিয়েই। শুরু ‘সিটি বয়েজ’ দিয়ে। এরপর ‘সফট টাচ’, ‘স্পার্ক’, ‘স্টিলার’। সব ছেড়ে একসময় নিজের একক প্রচেষ্টায় দল গড়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে আবার ‘ফিলিংস’-এ বাজানো শুরু করেন। ১৯৯৮ সালের দিকে ‘সোলস’-এও বাজিয়েছিলেন। বিভিন্ন ব্যান্ডের মিউজিশিয়ান হিসেবে দীর্ঘ সময় কেটেছে। এর মধ্যে গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও কাজ শুরু করেন। তাঁর সুর সংগীতে গেয়েছেন সুবীর নন্দী, তপন চৌধুরী, কুমার বিশ্বজিৎ, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, শাফিন আহমেদ, মমতাজ, বাপ্পা মজুমদার, কোনাল, সাব্বির, পুলক, রাজীব, লিজা, কিশোর, রন্টি, ঐশীসহ আরও অনেকে।

শুরুর দিকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যান্ড দলের সঙ্গে কি–বোর্ড বাজাতেন সুমন কল্যাণ। দীর্ঘদিন কি–বোর্ড বাজাতে বাজাতেই কম্পোজিশনের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। সে আগ্রহ থেকেই ২০০২ সালে তিনি গান, সুর ও সংগীতায়োজন শুরু করেন। তাঁর সুর ও সংগীতে প্রথম ২০০৪ সালে মিশ্র অ্যালবাম ‘কাছে আসার দিন ভালোবাসার দিন’ প্রকাশিত হয় সে বছরের ভালোবাসা দিবসে।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন