গত বুধবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও কণ্ঠশিল্পী পীযূষ বড়ুয়া বলেন, ‘শেষবার এই উৎসব করেছি ২০১৯ সালে, মানে সরাসরি মঞ্চে। করোনভাইরাসের কারণে ২০২০ সালে আয়োজন করতে পারিনি। গত বছর করেছি সীমিত পরিসরে অনলাইনে। ফলে এবারের উৎসব আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
শুক্রবার সকালে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। সকাল ১০টায় উৎসবের উদ্বোধন ও সম্মাননা প্রদান শেষে বেলা ১১টা থেকে হবে সংগীত পরিবেশনা। সংগীতের আয়োজনে সুরতীর্থ, সঙ্গীতভবন, বিশ্ববীণা, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (বাফা) ও উত্তরায়ণ। মাঝে বিরতি নিয়ে বিকেল পাঁচটা থেকে হবে আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান।

শনিবার বিকেল পাঁচটা থেকে হবে আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান। এবারের উৎসবে সারা দেশ থেকে প্রায় ২০০ শিল্পী একক ও দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছেন—বুলবুল ইসলাম, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, রোকাইয়া হাসিনা, অদিতি মহসিন, অরূপ রতন চৌধুরী, চঞ্চল খান, লিলি ইসলাম প্রমুখ।
দুই দিনের অনুষ্ঠানে গানের পাশাপাশি আবৃত্তি পরিবেশনায় অংশ নেবেন বাক্‌শিল্পী আশরাফুল আলম, জয়ন্ত রায়, বেলায়েত হোসেন, মাহমুদা আখতার ও রেজিওয়ালী লীনা। এবারের আয়োজনে সম্মাননা পাচ্ছেন বরেণ্য বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম ও বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম। দুজনেই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক।
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ জানান, করোনার মহামারিকালে যে শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি ও সংস্কৃতজন মারা গেছেন; তাঁদের স্মৃতির প্রতি এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সহসভাপতি খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, বুলা মাহমুদ, কাজল মুখার্জি, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক (সাধারণ) তানজিমা তমা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক (পরিকল্পনা) সাগরিকা জামালী, অর্থ সম্পাদক কনক খান, দফতর সম্পাদক সীমা সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত জামাল মিতু এবং নির্বাহী সম্পাদক শর্মিলা চক্রবর্তী, আহমেদ শাকিল হাসমী, সাজ্জাদ হোসেন, জাফর আহমেদ ও রাবিতা সাবাহ প্রমুখ।