সবাই মিলে গেয়েছেন ‘শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে’। একক পরিবেশনায় কবিগুরুর ‘সীমার মাঝে অসীম তুমি’ এবং ‘যেতে দাও যেতে দাও গেল যারা’ গান দুটি শোনান সেমন্তী মঞ্জুরি। এ টি এম জাহাঙ্গীর শুনিয়েছেন ‘সঘন গহন রাত্রি’ ও ‘কোলাহল তো বারণ হলো’ শীর্ষক সংগীত। সত্যম কুমার দেবনাথ গেয়েছেন ‘আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি’ ও ‘যাওয়া-আসারই এই কি খেলা’।

default-image

পাঠ পর্বে সুমনা বিশ্বাস উপস্থাপন করেন ‘মেঘলা দিনে’। ফারজানা আক্তার পরিবেশন করেন ‘আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে’ শীর্ষক গানটি। মোস্তাফিজুর রহমান গেয়েছেন ‘আমারে কারো জীবনদান’ ও ‘আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে’।

default-image

সেঁজুতি বড়ুয়া শুনিয়েছেন ‘যদি হল যাবার ক্ষণ’ ও ‘যে রাতে মোর দুয়ারগুলি’। আবদুল ওয়াদুদের গাওয়া গানের শিরোনাম ছিল ‘ওই মরণের সাগরপারে’ ও ‘এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও’। ‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ শীর্ষক আবৃত্তি উপস্থাপন করেন জহিরুল হক খান। লাইসা আহমদ গেয়েছেন ‘শ্রাবণের পবনে আকুল বিষণ সন্ধ্যায়’ এবং ‘তোমায় নতুন করে পাব ব’লে। সম্মেলক কণ্ঠে গাওয়া হয় ‘কোন পুরাতন প্রেমের টানে’। জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন