বাড়তি ওজন নিয়ে সে সময়ের মানসিক অবস্থা বিষয়ে মেগান বলেন, ‘অবশ্যই ভালো অবস্থায় ছিলাম না, অস্ত্রোপচারের দাগ ছিল, সব মিলিয়ে একধরনের অন্ধকার সময় পার করছিলাম। সন্তানের জন্য যত দ্রুত সম্ভব ওজন ঝরাতে চাচ্ছিলাম।’

কিন্তু চাইলেই তো ওজন ঝরানো সহজ নয়। পরের অ্যালবামের কাজ, সন্তান সামলানো—এসবের মধ্যে ওজন কমানোটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন মেগান।
মেগান বলেন, ‘আমি প্রতিদিনই এটা নিয়ে (ওজন কমানো) কাজ করতাম, নিজেকে নিজেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতাম। বলতাম, সিজারিয়ান সেকশনের পর যদি বেঁচে ফিরতে পারি, তাহলে আমি যেকোনো কিছুই করতে পারব।’

ওজন কমতে শুরু করার পর ধীরে ধীরে আগের চেয়ে ভালো বোধ করতে থাকেন মেগান। প্রতি সপ্তাহে যখন দুই–এক কেজি করে কমছিল, তখন তাঁর খুশি দেখে কে! আরও ঝরঝরে হয়ে উঠতে নিজের জীবনযাপনের ধরন বদলে ফেলেন তিনি।

কেমন ছিল মেগানের ওজন কমানোর প্রক্রিয়া? তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে আমি জেনেছি, বুঝেছি আমার আসলে কতটা খাওয়া দরকার। ব্যায়াম করার সময় অদ্ভুত একটা ভালো অনুভূতি হতো, যা আগে হয়নি।’

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ৬০ পাউন্ড বা ২৭ কেজির বেশি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছেন মেগান ট্রেইনর। ২৮ বছর গায়িকা জানান, ওজন কমানোর পর আগের চেয়ে অনেক ভালো বোধ করছেন।


গত অক্টোবরে মুক্তির পর তাঁর নতুন অ্যালবামও শ্রোতারা পছন্দ করেছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস ও নরওয়েতে টপ চার্টের সেরা ৪০-এ জায়গা করে নিয়েছে।