চন্দন জানান, করোনার সময় কলকাতায় আটকা পড়েছিলেন তিনি। তখনই রাজ বর্মনের সঙ্গে তাঁর সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়। সেখানে থাকাকালে এই শিল্পীর কয়েকটি গানের ভিডিও তৈরি করেন। হ্যান্ডি ক্যামেরা ও মুঠোফোনে বানানো একটি গানের ভিডিও প্রায় ছয় মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়ে যায়। এবার যখন রাজ বর্মনের নতুন গানের পরিকল্পনা হচ্ছিল, তখন ভিডিও বানানোর দায়িত্ব তাঁর ওপর পড়ে। চন্দন বলেন, ‘আমি ভীষণ রকম সম্মানিত ও আনন্দিত জি মিউজিকের মতো এত বড় একটা প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কাজ করতে পেরে।’

কথায় কথায় চন্দন বলেন, ‘রাজ বর্মন আমার খুব ভালো বন্ধু। সে এখন বলিউডে নিয়মিত কাজ করছে। তার এই এগিয়ে যাওয়া আমার জন্যও ভীষণ আনন্দের। রাজ বর্মনের সঙ্গে জি মিউজিক কাজ করছে। তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আমার কিছু কাজ দেখে। তারা আমার কাজগুলো দেখে মুগ্ধতার কথা জানায়। এরপরে জি মিউজিক থেকে আমাকে এ কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কাজের ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বাধীনতা তারা দিয়েছে। দিল্লি ও মুম্বাই থেকে কলাকুশলী নিয়ে কাজ করেছি। মিউজিক ভিডিওর এই দলে একমাত্র আমি ছাড়া সবাই ওখানকার। কাজ করতে গিয়ে বুঝতে পেরেছি, তারা প্রযুক্তি ও কৌশলগতভাবে কতটা উন্নত। আমিও চেষ্টা করেছি আমার মেধাটুকু ঠিকঠাকভাবে প্রয়োগ করতে। কারণ, আমার নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নামটাও। তবে গানের ভিডিও মুক্তির আগে ওখানকার সবাই প্রশংসা করেছে। আর মিউজিক ভিডিও মুক্তির পর ওখানকার পাশাপাশি বাংলাদেশের অনেকে আমার কাজটি নিয়ে কথা বলছেন। সবার কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক মন্তব্যগুলো আমার জন্য ভীষণ অনুপ্রেরণার।’

চন্দন জানান, ‘গানে একটা সুন্দর গল্প আছে। সেই গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে ভিডিও তৈরি করেছি। এখানে কাশ্মীরের সৌন্দর্য দেখানো একমাত্র উদ্দেশ্য, এমনটি মোটেও ছিল না।’