সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সকাল ১০টায় দেহ রাখা হবে রবীন্দ্রসদনে। সেখানে কলকাতার বিশিষ্টজনদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রাজ্য সংগীত একাডেমি ভবনে।

তারপর সেখান থেকে দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সংগীতশিল্পীর চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী বলেেন, নির্মলা মিশ্র দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। গত পাঁচ বছরে তাঁকে বহুবার চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে হাসপাতাল ও নার্সিং হোমে। গতকাল সকালে তাঁর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। রাতেই তিনি চলে গেলেন পরপারে।

default-image

নির্মলা মিশ্রের জন্ম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগরের মজিলপুর গ্রামে ১৯৩৮ সালে। তাঁর বাবা ছিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী পণ্ডিত মোহিনী মোহন মিশ্র। মা ভবানী দেবী। বাবার কাছ থেকেই নির্মলা মিশ্রের সংগীতে হাড়েখড়ি। ষাটের দশকে সংগীতাঙ্গনে পা রাখেন তিনি। তাঁর স্বামী প্রদীপ দাশগুপ্ত।

নির্মলা মিশ্র দ্বৈত গান গেয়েছেন বাংলার প্রখ্যাত শিল্পী মান্না দে, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা বসুসহ অন্য শিল্পীদের সঙ্গে। ১৯৭৬ সালে মহানায়ক উত্তমকুমারের একটি গীতিনাট্যেও তিনি অংশ নেন। তিনি বাংলা ও ওডিশি ভাষাতেও গান গেয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে ‘ও তোতাপাখি রে শিকল খুলে উড়িয়ে দেব’, ‘তোমার আকাশ দুটি চোখে’ যুগ যুগ ধরে দুই বাংলার মনে জেগে আছে।

নেপথ্য কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলা ও ওডিশি ছবিতে। তিনি আধুনিক বাংলা গানের পাশাপাশি রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, শ্যামাসংগীত, দেশাত্ববোধক, লোকগীতিসহ নানা আঞ্চলিক গানও গেয়েছেন।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন