default-image

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ছয় মাস ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রবাদপ্রতিম এই সংগীতশিল্পী কোলন ক্যানসারে ভুগছিলেন। আর তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শুরুতে মূত্রনালিতে সংক্রমণের কারণে ভূপিন্দর সিংকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে টেস্টের মাধ্যমে জানা যায় তিনি কোভিড আক্রান্ত। ১০ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে কোলন ক্যানসার আর কোভিডের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

default-image

ভূপিন্দর সিংয়ের নশ্বর দেহ বিলীন হয়ে গেলেও তিনি রেখে গেছেন তাঁর অজস্র সৃষ্টি। আর রয়ে গেছেন তাঁর স্ত্রী মিতালি সিং, পুত্রসন্তান নিহাল সিং, এবং অগুনতি ভক্ত। বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী মিতালি মুখার্জিকে বিয়ে করেছিলেন ভূপিন্দর সিং। বিয়ের পর মিতালি ‘সিং’ পদবি ব্যবহার করেন। তাঁদের যুগলবন্দী অসংখ্য সুন্দর সুন্দর গান উপহার দিয়েছে। ভূপিন্দর আর মিতালির ছেলে নিহাল পেশায় সংগীতপরিচালক।

default-image

১৯৬৪ সালে চেতন আনন্দ পরিচালিত ‘হকিকত’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে গায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছিল ভূপিন্দর সিংয়ের। তাঁর গাওয়া অনেক হিট হিন্দি এবং বাংলা গান আছে। গায়ক হিসেবে তিনি প্রচুর সুনাম অর্জন করেছিলেন। তবে গীটারবাদক হিসেবেও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন। ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায়’, ‘চিঙ্গারি কোঈ ভরকে’, ‘মেহেবুবা মেহেবুবা’-র মতো সুপারহিট গানের সংগীতায়জনে গীটারবাদক ছিলেন ভূপিন্দর।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন